মিনার মণ্ডলকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই পুলিশের আতসকাচের নিচে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের (Tulu Mondal) ভাগ্নে শেখ ওয়াসিম। বিপদ বুঝে নেপালে পালানোর ছক কষেছিলেন তিনি। কিন্তু শেক্ষরক্ষা হল না। শনিবার দার্জিলিং থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয় পুলিশের তরফে। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।
গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রামপুরহাট-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা অবৈধ পাথর কারবারের অভিযোগে রামপুরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে রামপুরহাটের মহকুমা শাসকের কাছেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তদন্তে ওই এলাকায় একাধিক অবৈধ পাথর খাদান এবং বেআইনি পাথর ব্যবসার তথ্য সামনে আসে। সেই সময় শেখ ওয়াসিমের নাম উঠে আসে।
জানা গিয়েছে, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রামপুরহাট-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা অবৈধ পাথর কারবারের অভিযোগে রামপুরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে রামপুরহাটের মহকুমা শাসকের কাছেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তদন্তে ওই এলাকায় একাধিক অবৈধ পাথর খাদান এবং বেআইনি পাথর ব্যবসার তথ্য সামনে আসে। সেই সময় শেখ ওয়াসিমের নাম উঠে আসে। সম্প্রতি টুলু মণ্ডলের ম্যানেজার মিনার মণ্ডল গ্রেপ্তার হতে তাঁর সঙ্গেও যোগ মেলে ওয়াসিমের। এরপরই শুরু হয় তাঁর খোঁজ। অবশেষে দার্জিলিং থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, অবৈধ পাথর ব্যবসার সঙ্গে আরও কে বা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সঙ্গে শেখ ওয়াসিম ব্যবসায়িক সম্পর্ক ঠিক কী, তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে টুলু মণ্ডলের ম্যানেজার মিনার মণ্ডলকে। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ আঠাশ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা। ধৃতের পরিবারের দাবি, এই টাকা ও গয়না নাকি টুলুর।
