ঘরে ঝুলঝেন পিসেমশাই। পাশের বন্ধ ঘরে উদ্ধার কিশোরী ভাইঝির দেহ। মঙ্গলবার সকালে নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। জোড়া দেহ উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক অনুমান, ভাইঝিকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন পিসেমশাই। তবে পুলিশ এখনই কিছু জানাতে নারাজ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পিসেমশাইয়ের নাম সন্তু সর্দার। বয়স ৫৪ বছর। ভাইঝি সুমনা সর্দার। বয়স ১১ বছর। সে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া কুঠিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমনা পিসেমশাইয়ের কাছেই থাকত। সোমবারও ওই বাড়িতেই ছিল। পিসির কাছে ঘুমাত সুমনা। মঙ্গলবার সকালে সন্তুর ঘরে গিয়ে দেখা যায় ঘরে ঝুলছেন সন্তু। তাঁকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না সুমনার।
পাশের বন্ধ ঘর দেখে সন্দেহ হয় প্রত্যেকের। সেই ঘরের দরজা ভাঙতেই মেঝে সুমনাকে নিথর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। পিসেমশাই, ভাইঝিকে উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান,হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ দু’টি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কী করে নাবালিকার মৃত্যু? ঘরের দরজা বন্ধ করল কে? তাকে খুন করা হলে কেন খুন করা হল? অন্য কোন কারণে মৃত্যু হলে কেন সেটা কী? পিসেমশাই সন্তুরওবা মৃত্যু কী করে? তিনি আত্মঘাতী হলে কেন? সব নিয়েই ধোঁয়াশা। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এখনই কিছু বলতে নারাজ পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে।
