shono
Advertisement
Visva-Bharati University

অশ্বত্থ, বট রোপন করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ, পর্যটকদের জন্য খুলল বিশ্বভারতীর সেই 'পঞ্চবটি' অঙ্গন

পর্যটক, দর্শক, রবীন্দ্রঅনুরাগীদের জন্য সুখবর। শান্তিনিকেতনের পঞ্চবটি অঙ্গন ফের খুলে দেওয়া হল। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। গতকাল, ২৫ বৈশাখ থেকেই ওই পঞ্চবটি অঙ্গন খুলে দেওয়া হল।
Published By: Suhrid DasPosted: 03:04 PM May 10, 2026Updated: 03:04 PM May 10, 2026

পর্যটক, দর্শক, রবীন্দ্রঅনুরাগীদের জন্য সুখবর। শান্তিনিকেতনের 'পঞ্চবটি' অঙ্গন ফের খুলে দেওয়া হল। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। গতকাল, ২৫ বৈশাখ থেকেই ওই পঞ্চবটি অঙ্গন খুলে দেওয়া হল। মাধবীবিতানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই ঘটনা নতুন তাৎপর্য যোগ করল বলে মত অনুরাগী ও আশ্রমিকদের।

Advertisement

পঞ্চবটি অঙ্গন আসলে পাঁচটি বৃক্ষ এলাকা। শান্তিনিকেতন তথা গোটা বোলপুরের কাছেই এই জায়গা অত্যন্ত আবেগের। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে হাতে রোপন করেছিলেন পাঁচটি বৃক্ষ। 'পঞ্চবটী' প্রতিষ্ঠায় উত্তরায়ণের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে অশ্বত্থ, বট, বিল্ব, অশোক ও আমলকি এই পাঁচটি বৃক্ষ রোপন করা হয়েছিল। পরিকল্পনার নেপথ্যে ছিলেন পণ্ডিত বিধুশেখর শাস্ত্রী। সেই পাঁচটি বৃক্ষ পুরনো সেই ঐতিহ্যের সাক্ষ, স্মৃতি বহন করে আসছে। একসময় পর্যটক, দর্শকদের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢোকা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এখন ক্যাম্পাসে ঢোকার জন্য আগে থেকে অনুমতি নিতে হয় কর্তৃপক্ষের। মিউজিয়াম ও হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় অনুরাগী ও পর্যটকরা ঢুকতে পারেন। 

প্রদীপ জ্বালিয়ে ফলক উন্মোচন করা হল। নিজস্ব চিত্র

ওই পঞ্চবটি অঙ্গনেও যেতে দেওয়া হয় না। এবার থেকে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল। উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে শান্তিনিকেতন উপাসনালয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন। পঞ্চবটী অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল। পঞ্চবটি অঙ্গনকেও দেশ-বিদেশের দূরদূরান্তের দর্শনার্থীদের জন্য রবীন্দ্রভবনে নতুনভাবে সংরক্ষণ ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হল। ঐতিহ্য আমাদের যে কোনও মূল্যেই ধরে রাখতে হবে।" রবীন্দ্র জন্মোৎসবের দিন শ্বেতপাথরের ফলকে স্থান পেল শতবর্ষ পুরনো শ্লোক এবং ঐতিহ্য। পাশাপাশি নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করল পঞ্চবটি অঙ্গন। এই সিদ্ধান্তে খুশি বিশ্বভারতীর পড়ুয়া থেকে আশ্রমিকরা। স্থানীয় বাসিন্দারাও মনে করেন, পর্যটকদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আরও বেশি করে উপলব্ধি করার জন্য আরও বেশি করে এইসব জায়গা খুলে দেওয়া উচিত।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাঁচটি বাড়ি ক্যাম্পাসেও রয়েছে। আগে সেইসব বাড়িও সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকত। যদিও পরে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সেইসব বাড়ির দরজাও বন্ধ রয়েছে। সেগুলি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হোক। সেই দাবিও উঠেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement