উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার প্রস্তুতি বৈঠকে বসছে শাসক শিবির। তার আগেই অবশ্য রাজ্যগতভাবে ভোট পরিচালনার জন্য নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোকে। রেজিনগর বিধানসভার দায়িত্ব পেয়েছেন রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি প্রবাল রাহা। জ্যোতির্ময় শনিবার নন্দীগ্রামে বৈঠক করবেন। আর রেজিনগরের উপনির্বাচন নিয়ে প্রবাল রাহা বহরমপুরে বৈঠক সারবেন।
সূত্রের খবর, উপনির্বাচন নিয়ে দু’টি প্রস্তুতি বৈঠকেই জেলার বিধায়ক, মণ্ডল সভাপতিরা উপস্থিত থাকবেন। সাংগঠনিক প্রস্তুতি, জনসংযোগ, প্রচার ও ভোট পরিচালনার কাজ দেখতে দু’টি বিধানসভাতেই বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের উপরে থাকবেন রাজ্যস্তরে দুই নেতা - নন্দীগ্রামে জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও রেজিনগরে প্রবাল রাহা।
সূত্রের খবর, উপনির্বাচন নিয়ে দু’টি প্রস্তুতি বৈঠকেই জেলার বিধায়ক, মণ্ডল সভাপতিরা উপস্থিত থাকবেন। সাংগঠনিক প্রস্তুতি, জনসংযোগ, প্রচার ও ভোট পরিচালনার কাজ দেখতে দু’টি বিধানসভাতেই বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের উপরে থাকবেন রাজ্যস্তরে দুই নেতা - নন্দীগ্রামে জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো ও রেজিনগরে প্রবাল রাহা। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সেখানকার ৫টি মণ্ডলের দায়িত্ব পাঁচজন বিধায়ককে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে দায়িত্বে রয়েছেন সাংসদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। শনিবারের বৈঠকে তাঁরা ছাড়াও রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যোতির্ময় ছাড়াও থাকবেন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নীলাঞ্জন অধিকারী, জেলা ইনচার্জ অনুপম মল্লিক প্রমুখ নেতৃত্ব।
অন্যদিকে, রেজিনগর বিধানসভার বৈঠকে প্রবাল রাহা ছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার সমস্ত বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব থাকবেন। পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর এই দুই আসনে উপনির্বাচন হতে পারে বলে বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে। কাজেই হাতে মাস দুয়েক সময়। তাই একটু আগেভাগেই ভোট প্রস্তুতি নেমে পড়ছে গেরুয়া শিবির।
নন্দীগ্রাম বিধানসভা শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক। এখানে জয় নিয়ে '২০০ শতাংশ' নিশ্চিত তিনি নিজে। তবুও এখানে ভোটে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়াতে চায় পদ্মশিবির। তাই জ্যোতির্ময়ের মতো শীর্ষ নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে শক্তিশালী টিমও ভোট পরিচালনার জন্য সাজিয়ে নিয়েছে বিজেপি।
বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, এই দু’টি আসন থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই আসনেই জেতেন। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন। আর রেজিনগর খালি হয় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরের পদত্যাগে। রেজিনগরের সঙ্গে নওদায় লড়েছিলেন হুমায়ূন। দু’টিতেই জয়ী হওয়ায় নওদা রেখে দিয়ে রেজিনগর ছেড়ে দেন।
নন্দীগ্রাম বিধানসভা শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক। এখানে জয় নিয়ে '২০০ শতাংশ' নিশ্চিত তিনি নিজে। তবুও এখানে ভোটে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়াতে চায় পদ্মশিবির। তাই জ্যোতির্ময়ের মতো শীর্ষ নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে শক্তিশালী টিমও ভোট পরিচালনার জন্য সাজিয়ে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, রেজিনগরে জিততে বিজেপি সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে চায়। তাই দলের অভিজ্ঞ নেতা ও বহুদিনের রাজনীতিক প্রবাল রাহাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
