shono
Advertisement
Medicines

ওষুধের স্টক কত? প্রতি সপ্তাহে অডিট বাধ্যতামূলক সরকারি হাসপাতালে

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন নিয়ে বিপদের জেরে নয়া সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 09:30 AM Jul 28, 2026Updated: 10:04 AM Jul 28, 2026

সরকারি হাসপাতালে ওষুধের স্টক নিয়ে সাপ্তাহিক স্ক্যান! নয়া স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর জারি করতে চলেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। রোগীদের নিরাপত্তার জন্যই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। এবার থেকে কলকাতা-সহ জেলার প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে সাতদিন অন্তর চিরুনি তল্লাশি হবে। যদি দেখা যায়, স্টকের কোনও ওষুধ ব্যাকডেটেড, সঙ্গে সঙ্গে তা বাতিল হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার পর হাসপাতালে ওষুধ স্ক্যান আরও কড়াকড়ি করতে চলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, এই অডিটে কোনও ঘাটতি দেখা গেলেই শো কজ করা হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আধিকারিকদের।

Advertisement

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, যে স্যালাইনের জন্য এই কাণ্ড ঘটেছে তা হাসপাতালের ওয়ার্ডে পড়ে থাকা কোনও স্যালাইন ছিল। এবার থেকে চিরুনি তল্লাশি হবে প্রতিটি হাসপাতালের সমস্ত ওয়ার্ডে। প্রতিটি ঘরে। হাসপাতালের আনাচে কানাচে কোনায় কোনায় হবে খুঁটিনাটি অনুসন্ধান। যেখানে যা ওষুধ পড়ে থাকবে প্রতিটির ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট খতিয়ে দেখা হবে। কোনও ওষুধ যদি দেখা যায় ২৪ ঘণ্টা আগেও মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে তা বাতিল করা হবে।

সম্প্রতি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন মানসী দে। অভিযোগ, স্যালাইন শুরু হতেই তাঁর বুকে জ্বালা শুরু হয়। পুত্র বিশ্বজিৎ দে'র অভিযোগ, ‘‘স্যালাইন বোতল খতিয়ে দেখে জানা যায় স্যালাইনগুলোর মেয়াদ চলতি বছরের মার্চ মাসে শেষ হয়ে গিয়েছে।” অভিযোগ জমা পড়তেই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এত কিছুর মাঝে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ রয়েছে কি না, তা দেখা সম্ভব নয়। যদিও এই উত্তরে খুশি নয় স্বাস্থ্যদপ্তর। বাধ্য হয়ে ওষুধের স্টক অডিট সিস্টেম আরও কড়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, যে স্যালাইনের জন্য এই কাণ্ড ঘটেছে তা হাসপাতালের ওয়ার্ডে পড়ে থাকা কোনও স্যালাইন ছিল। এবার থেকে চিরুনি তল্লাশি হবে প্রতিটি হাসপাতালের সমস্ত ওয়ার্ডে। প্রতিটি ঘরে। হাসপাতালের আনাচে কানাচে কোনায় কোনায় হবে খুঁটিনাটি অনুসন্ধান। যেখানে যা ওষুধ পড়ে থাকবে প্রতিটির ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট, এক্সপায়ারি ডেট খতিয়ে দেখা হবে। কোনও ওষুধ যদি দেখা যায় ২৪ ঘণ্টা আগেও মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে তা বাতিল করা হবে।

তৃণমূল সরকারের আমলে একাধিক হাসপাতালে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ খেয়ে রোগী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। বিগত পনেরো বছরের মধ্যে কখনও জয়নগর গ্রামীণ হাসপাতালে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন রোগী, আবার ওল্ড মালদহের গ্রামীণ হাসপাতালেও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিলির অভিযোগ উঠেছিল স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে। এবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সেসব 'রোগ' সারাতে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। তার জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় নিয়মকানুনে রদবদল আনা হচ্ছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement