গোটা রাজ্যের মতো ফলতায় গেরুয়া ঝড়! ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জিতেছেন বিজেপির দেবাংশু পাণ্ডা। অর্থাৎ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল যে ভেঙে চুরমার তা বলাই বাহুল্য। জয় নিশ্চিত হতেই মাছ-ভাত খাওয়ার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেন দেবাংশু। তৃণমূলকে বিঁধে বললেন, "ফলতা আর কারও চোখরাঙানিতে চলবে না। মা-বোনেদের উপর কোনও অত্যাচার হবে না। এখানে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।"
দেবাংশু বলেন, "ফলতায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ফলতা আর কারও চোখরাঙানিতে চলবে না। মা-বোনেদের উপর কোনও অত্যাচার হবে না। ১০-১৫ বছর ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার সকলে নির্ভয়ে ভোট দিয়েছে। তাই ডায়মন্ড হারবার মডেল ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।"
ভোট প্রচারে ফলতায় গিয়ে শ্মশান তৈরি থেকে, মাছ বিক্রি করানো-একাধিক উসকানিমূলক বক্তব্য রেখেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পালাবদলের তা নিয়ে বিতর্কও হয়েছে। ফলতার ফলাফল স্পষ্ট হতেই সেই কথা মনে করিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন তিনি। না, তবে আক্রমণের পথে হাঁটেননি বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। অভিষেক বলেছিলেন, 'ঘাড় ধরে মাথ বিক্রি করাবো।' পালটা দেবাংশু বললেন, "আমি শিক্ষিত। ওনার মতো ভাষা বলব না। আমি বলছি আসুন, মাছ-ভাত খাওয়াব।"
এখানেই শেষ নয়। ফলাফল নিয়ে দেবাংশু আরও বলেন, "ফলতায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। ফলতা আর কারও চোখরাঙানিতে চলবে না। মা-বোনেদের উপর কোনও অত্যাচার হবে না। ১০-১৫ বছর ধরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এবার সকলে নির্ভয়ে ভোট দিয়েছে। তাই ডায়মন্ড হারবার মডেল ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।" দেবাংশু বলেন, "তৃণমূল শেষ। তৃণমূল বলে আর কিছু থাকবে না। জাহাঙ্গির খানও শেষ। এরপর ওর বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" জয়ের পরই ফলতাবাসীকে কর্মসংস্থানের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। ফলতায় দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে বামেরা। তা নিয়ে দেবাংশুর স্পষ্ট জবাব, "আমরা যে দেড়লক্ষ ভোট পেয়েছি, তা হিন্দুদের। মুসলিম এলাকার ভোট সিপিএম কংগ্রেস পেয়েছে।" উল্লেখ্য, ফলতায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর।
