রাজ্যের যুবকদের পাশে দাঁড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের চালু করা অভিনব 'যুবসাথী' প্রকল্পে নাম লেখাতে যখন জেলায় জেলায় অভূতপূর্ব সাড়া মিলছে, তখন বিরোধীদের সমালোচনা, কটাক্ষের জবাবে তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হল, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের চেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত ১৫ বছরের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার কমেছে।
'যুবসাথী' প্রকল্পে নথিভুক্তিকরণের ভিড় রাজ্যের কর্মসংস্থানের বেহাল দশা প্রকট করে তুলেছে বলে বিজেপি, বামেরা দাবি করলেও পরিসংখ্যান বলছে, গেরুয়া শাসনে একাধিক রাজ্যে গত ১০-২০ বছরে বেকারের হার লাফিয়ে বাড়ছে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাটা নিম্নমুখী। তৃণমূলের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১১য় রাজ্যে পালাবদলের পর গত ১৫ বছরে বেকারত্বের হার মাত্র ৩.৬ শতাংশ। কিন্তু বিহার, রাজস্থান, অসম, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়ের মতো বিজেপি-এনডিএ শাসিত রাজ্য ডুবে রয়েছে চরম বেকারত্বের অন্ধকারে। যেমন অসম, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশায় দশ বছরের পদ্ম সরকারের জমানায় বেকারত্বের হার যথাক্রমে ৮.৫ শতাংশ, ৮.৫ শতাংশ, ৬.১ শতাংশ ও ৬.২ শতাংশ। ছত্তিশগড়ে ২০ বছরের উপর বিজেপি শাসনে বেকারত্ব ছুঁয়েছে ৭.৮ শতাংশে। বারবার শিবির বদল করে এখন বিজেপির হাত ধরা নীতীশকুমারের বিহারে ২০ বছরে বেকারত্বের হার পৌঁছে গিয়েছে ৭.৭ শতাংশে।
বিহার, রাজস্থান, অসম, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, ছত্তিশগড়ের মতো বিজেপি-এনডিএ শাসিত রাজ্য ডুবে রয়েছে চরম বেকারত্বের অন্ধকারে।
অর্থাৎ বেকারত্বের মতো দেশব্যাপী একটি জ্বলন্ত ইস্যু মোকাবিলায় বিজেপি ও তার শরিকরা যে ব্যর্থ, পরিসংখ্যানেই তা পরিষ্কার। সেখানে ব্যতিক্রমী সদর্থক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে তৃণমূল সরকার। তারা বেকারত্বের হার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখায় সফল হয়েছে।
