shono
Advertisement

Breaking News

ভোটের ময়দানে লড়াই থাকলেও দোকানে একাকার রাজনীতি

ব্যাপারটা কী?
Posted: 10:26 AM Apr 14, 2018Updated: 10:41 AM Apr 14, 2018

বাবুল হক, মালদহ: হাত, কাস্তে, পদ্মফুল। সহাবস্থান জোড়াফুলেরও। এ যেন ‘মহাজোট’! না, নিছকই একটা পতাকা বিক্রির দোকান এটা। কিন্তু ভোট এলেই পতাকা কেনাবেচার ধুম পড়ে এখানে। সব রাজনৈতিক দলের দলীয় পতাকা আঁকা টি-শার্ট, ছাতা, শাড়িও বিকোচ্ছে। ভোট বলে কথা। গ্রামে আপাতত ক’দিন মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কিন্তু মালদহ শহরের দিল্লি ক্লথ স্টোরে এসে পাশাপাশি বসেই নিজ নিজ দলের পতাকা, ফেস্টুন, ব্যাজ কিনছেন সকলেই।

Advertisement

[ভোটযুদ্ধে মুখোমুখি বাবা-ছেলে, উন্নয়নেই ভরসা দু’পক্ষের]

তবে এবার চাহিদার শীর্ষে তৃণমূলের অভিনব লাইটিং ব্যাজ। সুইচ টিপলেই রকমারি আলোর বিকিরণ। বুকে সেই ব্যাজ আটকালে রাতেও বেশ আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে, বলছেন বিক্রেতা। উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভোট প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ নিয়ে চিন্তাভাবনার মধ্যেও কাজ এগিয়ে রাখতে তৎপর রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মী থেকে প্রার্থীরা। কিন্তু সব দলেরই দলীয় পতাকার সহাবস্থানে নজর কাড়ে মালদহ শহরের নেতাজি মোড় সংলগ্ন এই দিল্লি ক্লথ স্টোর। পতাকা বা ঝান্ডা বিক্রির একমাত্র দোকান এটিই। সব দলের পতাকাগুলি গায়ে গা লাগিয়ে টাঙ্গানো রয়েছে। হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে অন্তত এখানে শান্তিতে বিরাজমান সবাই। পদ্মফুলের পাশে কাস্তে-হাতুড়ির লাল ঝান্ডা। তেমনই শাসক দলের ঘাসফুলের পতাকার পাশে ঝুলছে হাত চিহ্ন আঁকা কংগ্রেসের ঝান্ডা। দাপট অবশ্য এখানেও শাসক দল তৃণমূলেরই। বেশি বিক্রি হচ্ছে জোড়াফুলই। দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেসের হাত। তারপর বিজেপির পদ্মফুল। এখানেও লাল ঝান্ডার চাহিদা খুবই নগন্য বলে জানালেন দোকানের কর্মচারীরা।

দোকানের মালিক গোপালপ্রসাদ সাউ বলেন, “দোকানের বয়স ৫৬ বছর। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঝান্ডা বিক্রি করছি। রাজনৈতিক ময়দানে বিরোধ থাকতে পারে নেতা-কর্মীদের মধ্যে। কিন্তু এখানে সবাই এক। আমাদের এখানে বিভিন্ন দলের কর্মীরা পাশাপাশি বসে পতাকা কিনে থাকেন। এবার শাসক দলেরই পতাকা তুলনামূলকভাবে বেশি বিক্রি হচ্ছে। তারপর কংগ্রেস ও বিজেপির ঝান্ডা।”

নির্বাচন এলেই ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে যায় এই দোকানে। ১৫ অগস্ট ও ২৬ জানুয়ারি প্রাক্কালে জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন। অন্যান্য সময় কাপড়-‌জামাও বিক্রি হয়। কিন্তু নির্বাচনের দামামা বেজে উঠলেই বিভিন্ন দলের পতাকা বিক্রি করে থাকেন তাঁরা। জেলায় রাজনৈতিক দলগুলির পতাকা বিক্রির আর কোনও দোকান নেই। দীর্ঘ প্রায় ৫২ বছর ধরে তাঁরা পতাকা বিক্রি করে আসছেন। এবার পতাকার পাশাপাশি ছাতারও ব্যাপক চাহিদা। তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএমের দলীয় পতাকার রঙে বিক্রি হচ্ছে ছাতা। দাম মাত্র ৮০-‌১০০ টাকা। সব দলেরই ব্যাজ রয়েছে এবার। তবে তৃণমূলের ব্যাজটি বেশ আধুনিক। লাইটিং ব্যাজ ঘাসফুলের। সুইচ দিলেই রকমারি লাইট জ্বলছে তাতে। বিকোচ্ছে কংগ্রেসের হাত চিহ্নের কাট আউট। উত্তরীয়, টি-‌শার্ট। এমনকী বিক্রি হচ্ছে তৃণমূলের শাড়িও। গোটা শাড়ি জুড়ে ঘাসফুল আঁকা।

[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি আসন্ন? সিরিয়ায় একযোগে মিসাইল হানা আমেরিকা, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার