ধর্ষণ করে গলার নলি কেটে এক মহিলাকে খুনের অভিযোগ উঠল বিহারের আমেদাবাদ থানার গোবিন্দপুর এলাকায়। বাধা দেওয়ায় আর এক মহিলাকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপাল অভিযুক্ত। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনওরকমে মালদহে (Malda) ফেরেন তিনি। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, বাংলা-বিহার সীমানা লাগোয়া বিহারের আমেদাবাদ থানার গোবিন্দপুর এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের দুই মহিলা। অভিযোগ, সেখানেই এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবক তাঁদের পথ আটকায়। তাঁদের মধ্যে এক মহিলাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অপর মহিলা বাধা দেন। তখন তাঁকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই মহিলাকে কাশবনের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাঁর গলার নলি কেটে খুন করে অজ্ঞাত পরিচয় ওই দুষ্কৃতী। জখম মহিলা কোনওরকমে গ্রামে ফিরে এসে ঘটনার কথা জানান। খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিতার দেহ দেখতে পান। পরে হরিশ্চন্দ্রপুর ও আমেদাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ঘটনার তদন্ত করছে দুই থানার পুলিশ।
বিহারের দুষ্কৃতীরা এই হামলার পিছনে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ১ জন জড়িত নাকি এর পিছনে আরও কেউ থাকতে পারে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য় পাঠানো হয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় আর এক মহিলার চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। তাঁর শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
