একটা-দুটো নয়। প্রতিপক্ষকে একডজন গোলে চূর্ণ করল ইস্টবেঙ্গল। এএফসি মহিলা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রাথমিক পর্বের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের দলকে গোলের মালা পরিয়েছিল মশাল গার্লস। দ্বিতীয় ম্যাচে লাল-হলুদ ব্রিগেড আরও বিধ্বংসী। এবার গুয়ামের দলকে ১২ গোল দিয়ে চুরমার করে দিলেন অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের মেয়েরা। তবে এখনও মূল পর্ব নিশ্চিত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে লাল-হলুদের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশের রাজশাহী স্টার্স। তাদের ৪-০ গোলে হারান সুলঞ্জনা রাউলরা। বৃহস্পতিবার মশাল গার্লসের সামনে পড়ে গুয়ামের রোভার্স এফসি। ৬ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের প্রথম গোলটি প্রিয়াঙ্কা দেবীর শট থেকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অষ্টম ওরাঁও। তার আট মিনিট পরেই নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন প্রিয়াঙ্কা। বিরতির আগে ৩-০ এগিয়ে যাওয়া ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ জেতা তখন নিশ্চিত।
কিন্তু বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল আরও ভয়ানক হয়ে ওঠে। ৪৫ মিনিটজুড়ে বিপক্ষের রক্ষণ ছারখার করে দেন অলিভিয়া-শিল্কিরা। ৪৮ মিনিট থেকে শুরু হয় মশাল গার্লসের 'গোলবর্ষণ'। অলিভিয়া আনোকাই, অ্যাবিগেল আন্তোয়ি পরপর দুই মিনিটে গোল করেন। ৬৪ এবং ৭০ মিনিটে জোড়া গোল করেন আবেনা আনোমা ওপোকু। গোলের বন্যা শেষ হয় ৯৩ মিনিটে সৌম্যা গুগুলথের শটে। ম্যাচের ফল ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে ১২-০। গোল করেছেন ৯ ফুটবলার।
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যোগ্যতা অর্জন পর্বে জয়ের সর্বাধিক ব্যবধান ছিল ১৩-০। এই রোভার্সকেই ১৩ গোল দিয়েছিল সাবাহ এফ এ। অল্পের জন্য সেই নজির ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া হল। তবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের তালিকায় লাল-হলুদ ব্রিগেড উঠে এল দ্বিতীয় স্থানে। দুই ম্যাচে ১৬ গোল দিলেও একটাও গোল হজম করেনি মশাল গার্লস। এবার মূল পর্বে ওঠার আগে বাকি একটা ম্যাচ। আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার দল সাবাহর বিরুদ্ধে আগামী রবিবার খেলতে নামবেন সৌম্যারা। ওই ম্যাচ জিতলে বা ড্র করলেই মহিলাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মূল পর্বে উঠে যাবে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
