shono
Advertisement
Alipurduar

কর্মসূত্রে রাশিয়ার সেনায়, ইউক্রেন ড্রোন হামলায় মৃত্যু বাংলার যুবকের!

সিটিজেন কার্ড গ্রহণের পর রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন বাংলার যুবক! ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে! এমনই দাবি পরিবারের। ওই যুবকের নাম ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস। বাড়ি আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের শালকুমারের মুন্সিপাড়া গ্রামে।
Published By: Suhrid DasPosted: 01:58 PM Jul 01, 2026Updated: 03:06 PM Jul 01, 2026

সিটিজেন কার্ড গ্রহণের পর রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন বাংলার যুবক! ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে! এমনই দাবি পরিবারের। ওই যুবকের নাম ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস। বাড়ি আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের শালকুমারের মুন্সিপাড়া গ্রামে। নাতির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরে শোকে মারা গিয়েছেন দাদু নীলরতন বিশ্বাস! এই পরিস্থিতিতে দিশেহারা অবস্থা ওই পরিবারের। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির নেতা শংকর সিংহকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করেন মৃত যুবকের পরিবার।

Advertisement

২৬ বছর বয়সী ওই যুবকের বাবা প্রদীপ বিশ্বাস বলেন, "কয়েক বছর আগে ছেলে কাজের জন্য রাশিয়াতে যায়। এজেন্টের মাধ্যমে ছেলে গিয়েছিল। পরে ভিসা বাতিল হওয়ায় কিছুদিন ছেলেকে গা ঢাকা দিয়েও থাকতে হয়। পরে একটি সূত্র মারফত রাশিয়ার সিটিজেন কার্ড পায়। এরপর সেনাবাহিনীতে যোগ। ট্রেনিংয়ের পর সেনাবাহিনীতে যুদ্ধক্ষেত্রে যায়।" ছেলের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ হত। এর আগে ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ায় দুই-আড়াই মাস তাঁর সঙ্গে পরিবারের কারও যোগাযোগ ছিল না! পরে আবার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। কোন এজেন্টের মাধ্যমে ছেলে রাশিয়া গিয়েছিল? সেই বিষয়ে কোনও আলোকপাত করতে পারেননি প্রদীপ বিশ্বাস। 

সম্প্রতি ওই পরিবার জানতে পারে, ছেলে ড্রোন হামলায় মারা গিয়েছে! প্রদীপ বলেন, "রবিবার ওর পাঞ্জাবের এক বন্ধু মারফত মেসেজ ও ছবি পাই। তাতে বলা হচ্ছে আমার ছেলে-সহ মোট দু'জন ড্রোন হামলায় যুদ্ধক্ষেত্রে মারা গিয়েছে।" ছেলের মৃত্যুর খবর মানতে পারছেন না তিনি। এই অবস্থায় তাঁর বক্তব্য, "আমরা ভারত সরকারের কাছে আবেদন করছি যে বিষয়টি যোগাযোগ করে আমাদের নিশ্চিত করার জন্য।" মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির নেতা শংকর সিংহকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করেন মৃত যুবকের পরিবার। জেলার অ্যাডিনশাল ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেটের (জেনারেল) সঙ্গে দেখা করে তাঁরা বিষয়টি জানান। আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার বলেন, "আমি বিষয়টি প্রথমে খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে।"

জেলা বিজেপি কার্যালয়ের অফিস সম্পাদক শংকর সিংহ বলেন, "ওই পরিবারকে নিয়ে আমি এদিন জেলার এডিএমের সঙ্গে দেখা করে এসেছি। পূর্বতন সরকার এই রাজ্যকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। বাংলার ছেলেদের কাজের জন্য রাশিয়ায় ছুটে যেতে হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশাসনকে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। দেখা যাক কী হয়।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement