দিঘার কাছে তালসারিতে আকস্মিক মৃত্যু অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুটিংয়ে গিয়ে আচমকা প্রয়াণ অভিনেতার। কিন্তু কী হয়েছিল তখন? হঠাৎ জলে নেমে মৃত্যু হল কেন রাহুলের? একাধিক প্রশ্নের আবহে এবার বিস্ফোরক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহ-অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিক। তিনি রাহুলের প্রথম হিট সিনেমা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। এমনকি আমৃত্যু রাহুলের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল অরিত্রর।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালে অরিত্র বলছেন, ‘আমি এই ঘটনায় চমকে গেছি। ভাবতেই পারছি না এটা কীভাবে ঘটল! রাহুলদা আমার শিক্ষাগুরু। পরিণত বয়সে অভিনয়ের শিক্ষা পেয়েছি। তাঁর সঙ্গে আমার দাদা, ভাইয়ের সম্পর্ক। যখন এই ঘটনা শুনলাম, আমার আগে যিনি কেঁদেছেন তিনি আমার মা।’ কান্নাভেজা গলায় অরিত্রর প্রশ্ন, ‘একটা এত বড় শুটিং ইউনিট। বহু মানুষ। তার মধ্যে এভাবে একটা ঘটনা ঘটে গেল। কেউ কিছু করতে পারলেন না কেন! কেন এক শতাংশও সুযোগ পাওয়া গেল না তাঁকে বাঁচানোর। গাফিলতি কেন ছিল? পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না কেন?’ অভিনেতার কথায়, ‘এই মৃত্যুতে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা সেটা ময়নাতদন্ত, পুলিশি তদন্তে স্পষ্ট হবে। আমি এখনই বলছি না, তেমন কিছু ছিল। কিন্তু তাঁকে কেন বাঁচানো গেল না, কেউ কেন কিছু করতে পারলেন না এটা ভাবাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পীদের নিরাপত্তা আছে কিনা, এটাও দেখা প্রয়োজন।’
তাহলে কি জুবিন গর্গের মতো রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতেও অন্য কারণ থাকতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে অরিত্র বলছেন, ‘সেটা নয়। তবে পুলিশ তদন্ত করুক। এর উপযুক্ত তদন্ত প্রয়োজন।’ প্রসঙ্গত, প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় অভিনীত একটি ছবির সম্পাদনার কাজ করছেন অরিত্র দত্ত বণিক। তাঁর কথায়, ‘এই ঘটনার পর আমি কীভাবে প্রিয়াঙ্কাদির মুখটা দেখব, ভাবতেও পারছি না!’
