shono
Advertisement
Aritra Dutta Banik

গাড়ি আটকের সঙ্গে নাকা চেকিংয়ের পার্থক্য কী? দীর্ঘ পোস্টে আমজনতাকে সচেতনবার্তা অরিত্রর

এদিকে ভোটমুখী বঙ্গে পুলিশ-অরিত্র দ্বন্দ্বের মাঝে সোশাল মিডিয়ায় সোচ্চার টলি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেন ওরফে ঋ। কী লিখলেন তিনি?
Published By: Kasturi KunduPosted: 12:57 PM Mar 25, 2026Updated: 02:22 PM Mar 25, 2026

মঙ্গলবার সকালে সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, রাজনৈতিক বিশ্লেষক তথা অভিনেতা অরিত্র দত্ত বণিকের (Aritra Dutta Banik) সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনা ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। ঘটনার দিন রাতেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেন অরিত্র। সেই সঙ্গে নাগরিকদের সচেতন করতে দেন একাধিক বার্তা। 

Advertisement

অরিত্র জানান, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট থেকে শুরু করে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ও রাজ্যের নির্বাচন কমিশন অফিসে তাঁর তরফে সকল নথি, প্রমাণ এবং কেস ল, জাজমেন্ট-সহ অভিযোগ জমা করেছেন। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আরও যোগ করেন, 'দেশে আইন বানানো হয়েছে সমাজকে সুস্থভাবে পরিচালনা করার জন্য, কিন্তু এখন নাগরিকদের হেনস্তা করার কাজে কিছুজন এই আইনের অপব্যবহার করছেন। প্রতিটি নাগরিককে সচেতন হতে হবে। ভয় পাবেন না, নিজের অধিকার সম্পর্কে জানুন। এই আরবিট্রারি রুলটির রিফর্মেশন করাতে হবে সরকারকে দিয়ে।'

একইসঙ্গে আইনজ্ঞ, সহ-নাগরিক ও সংবাদমাধ্যমের প্রতি ধন্যবাদজ্ঞাপন করেছেন অরিত্র দত্ত বণিক। নির্বাচনের আবহে পুলিশের গাড়ি আটকের সঙ্গে নাকা চেকিংয়ের কোনও সাদৃশ্য আছে কিনা সেই বিষয় আমজনতাকে সচেতন করতে একটি লম্বা পোস্ট শেয়ার করেছেন।

এই পোস্টের নেপথ্যে তাঁর যুক্তি, 'অনেকে জানতে চেয়েছিলেন যে নাকা চেকিং এবং সার্চ অপারেশন নিয়ে। মনে রাখবেন নাকা চেকিং স্টপে দাঁড়িয়ে পুলিশের কাজে সাহায্য করা আইনিভাবে বাধ্যতামূলক এবং আমাদের দায়িত্ব।' সোশাল মিডিয়ায় সকলের উদ্দেশে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন অরিত্র। মঙ্গলবার সকালে ঠিক কী ঘটেছিল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে তিনি জানিয়েছেন, "শুটের কাজে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলাম। রথতলার মোড়ে ডানলপ ট্রাফিক গার্ড আমার গাড়িটা থামায়। যেহেতু আমি ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করিনি, তাই প্রথমেই থামানোর কারণ জানতে চাই। তারা জানায়, আমার গাড়িটিকে নির্বাচনের জন্য ব্যবহার করতে চান তারা। আমি পালটা জানাই, এটা ব্যক্তিগত গাড়ি এবং আমার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে। তো এই রিক্যুশিজনে আমি গাড়িটি দিতে পারছি না। এরপর ওরা জোর করে আমার গাড়ি রাস্তার একপাশে দাড় করিয়ে আমার হাতে একটি রিক্যুশিজন স্লিপ ধরিয়ে বলে, যে গাড়িটা আপনাকে দিতেই হবে।"

এরপরই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান অরিত্র দত্ত বণিক। তবে পালটা আইনি যুক্তি দেখানোয় শেষমেশ অভিনেতা-ইনফ্লুয়েন্সারের ব্যক্তিগত গাড়ি নিতে পারেনি ট্রাফিক গার্ড। অরিত্রর সংযোজন, “প্রথমটায় আমাকে আটকে রাখা হলেও, সিগন্যাল খুললেই বলপূবর্ক সেখান থেকে বেরিয়ে যাই। নইলে ভদ্রভাবে বেরতে পারতাম না।”

প্রসঙ্গত ভোটমুখী বঙ্গে পুলিশ-অরিত্র দ্বন্দ্বের মাঝে সোশাল মিডিয়ায় সোচ্চার টলি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেন ওরফে ঋ। চাঁচাছোলা ভাষায় ঋ-র আক্রমণ, 'খালি নিজের শহরে পুলিশের উপর চোটপাট। অন্যদেশ হলে ভুল জায়গার...।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement