shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

'তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন', সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর

এদিন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সিএএ'র বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় যে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।
Published By: Kousik SinhaPosted: 12:15 AM Jun 07, 2026Updated: 12:15 AM Jun 07, 2026

ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জেরে রাজ্যের উন্নয়নই পিছনে চলে গিয়েছে। এমনটা দাবি করে, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তুষ্টিকরণের জেরে কীভাবে এই বাংলার অতীত চাপা পড়ে গিয়েছে, সে কথাই উল্লেখ করলেন তিনি। রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে গিয়ে এদিন আলিপুরের ধনধান্য অডিটোরিয়ামে সনাতনীদের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে কীভাবে এই পশ্চিমবঙ্গ রূপ পায়, সে কথা এদিন মনে করিয়ে দেন তিনি।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ কীভাবে তৈরি হয়েছিল, সেটা আজকের যুগের যুব সম্প্রদায়ের জানা উচিৎ বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "মুসলিম লিগের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ আলি জিন্না পুরো পূর্ব ভারতকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন। সেই সময় ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রতিবাদ করেছিলেন। ১৯৪৭-এর ৪ এপ্রিল তারকেশ্বরে হিন্দু মহা সম্মেলন করেছিলেন তিনি। সেখানেই উনি রেজোলিউশন পাশ করিয়েছিলেন যে, এই বাংলা হবে হিন্দু মেজরিটি, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে যাব না। সেই সময় বাংলার আইনসভায় এটা পাশ করানো হয়েছিল।" শুভেন্দু আরও মনে করিয়ে দিয়েছে, ওই রেজোলিউশনে ৫৮ জন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন মুসলিম আইন প্রণয়নকারী ২১ জন।

এরপরই নাম না করে বাংলার পূর্বতন সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, "ভোটব্যাঙ্কের লোভে এই রাজ্যে উন্নয়ন পিছনে চলে গিয়েছে।‌ তুষ্টিকরণের রাজনীতি এখানে আগে চলে এসেছিল। বিশেষ করে শেষ কিছু বছর এই রাজ্যে তুষ্টিকরণের রাজনীতি কীভাবে সামনে চলে এসেছিল, তা সবাই দেখেছে।" সব কার্যকলাপই যে ভোটব্যাঙ্ক নির্ভর হয়ে উঠেছিল, সে কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এদিন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সিএএ'র বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় যে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল, সে কথাও এদিন উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তিনি বলেন, ''আমাদের আস্থার সব উৎসব পালনের পারমিশন পাওয়া যেত না। কোর্টে যেতে হত‌। আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অনেক কিছুই বলতে পারি না। লিমিটেশন আছে। কিন্তু হাওয়া বদলাচ্ছে। আর‌ও অনেক কিছু হবে। আপনারা আপনাদের এই ভাইয়ের উপর ভরসা রাখুন।"

শুভেন্দু জানিয়েছেন, শ্রাবণী মেলার জন্য রাজ্য এবার একটা বড় পরিকল্পনা করেছে। আর গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মেলার রূপ দেওয়ার জন্য যা যা করার সেটাও করা হবে। তুষ্টিকরণের রাজনীতি বন্ধ করে রাজ্য সরকার বিনিয়োগে মন দেওয়ার কথাও ভাবছে বলে সনাতনীদের অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement