অরিন্দম শীলের 'কর্পূর' ছবি ঘোষণার পর থেকেই উন্মাদনার পারদ চড়েছিল। নয়ের দশকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধান রহস্য ঘিরে নির্মিত এই ছবি অজানা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। পলিটিকাল থ্রিলারধর্মী ছবির লোগো ও লুক প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। এবার প্রকাশ্যে এল ছবির পোস্টার।
কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, সাহেব চট্টোপাধ্যায় ও অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
ছবির পোস্টার জুড়ে রয়েছেন এই ছবির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তবে সর্বাগ্রে এই পোস্টারে যিনি নজর কেড়েছেন তিনি হলেন তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ফিল্মি দুনিয়ায় পা রেখেই হইচই ফেলে দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। বলে রাখা ভালো, বিশিষ্ট বামনেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে তাঁকে। মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ব্রাত্য বসু, সাহেব চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। পোস্টারের একেবারে শেষে দেখা যাচ্ছে আরও একটি মুখ। যা দেখে আন্দাজ করা যাচ্ছে তিনি ছবির পরিচালক অরিন্দম শীল। আগেই জানা গিয়েছিল যে, পরিচালনার পাশাপাশি এই ছবিতে অভিনয়ও করবেন তিনি।আগামী ১৯ মার্চ বড়পর্দায় মুক্তি পাবে 'কর্পূর'।
'কর্পূর' ছবির পোস্টার
বিশিষ্ট বামনেতা অনিল বিশ্বাসের চরিত্রে এই ছবিতে দেখা যাবে কুণাল ঘোষকে। মনীষা মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে রয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
নয়ের দশকের শেষভাগের মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধানের ঘটনার ছায়ায় নির্মিত হচ্ছে এই ছবি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহকারী পরীক্ষা নিয়ামক ১৯৯৭ সালে হঠাৎই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর বাড়ি না ফেরার হদিশ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যার নানারকম থিয়োরি-রাজনৈতিক যোগ আছে। মনীষা মুখোপাধ্যায়ের অন্তর্ধানের নেপথ্যে কোন কারণ ছিল? তাঁকে কি খুন করে ফেলা হয়েছিল? তিনি খুন হলেও তার পিছনে কোন উদ্দেশ্য কাজ করেছিল? বিপুল দুর্নীতি ধামাচাপা, নাকি শাসকদলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন? কর্পূরের মত উবে গেলেন কীভাবে মনীষা? এবার এই সব প্রশ্ন নিয়েই পর্দায় আসছে অরিন্দম শীলের ‘কর্পূর’ ছবি।
