১০০০ কোটি নটআউট 'ধুরন্ধর ২'। বক্স অফিসে বিজয়রথ ছোটাচ্ছে রণবীরের ছবি। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী আয়ের নিরিখে হাজার কোটির মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেছে। 'পাঠান', 'জওয়ান', 'ধুরন্ধর', 'দঙ্গল'-এর রেকর্ড ইতিমধ্যেই ভেঙে ফেলেছে 'ধুরন্ধর'-এর দ্বিতীয় ভাগ। সিনেমার দৃশ্যায়ন থেকে রণবীরের রাফ অ্যান্ড টাফ লুকের পাশাপাশি দর্শকের নজর কেড়েছে দ্য লরেন্স স্কুল।
হিমাচলপ্রদেশের পাহাড়ে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজের স্নিগ্ধতা আর শান্ত পরিবেশ সিনেমায় আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। ‘ধুরন্ধর’ ছবির কিছু অংশেরও শুট এখানে করা হয়েছিল। সিক্যুয়েলের শুটিংয়ের সময় বিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। নেপথ্যে রয়েছে এক বিশেষ কারণ।
প্রধান শিক্ষক হিম্মত সিং ধিলোঁ বলেন, "আদিত্য ধরের সঙ্গে ইয়ামি গৌতমও এই বিদ্যালয়ে এসে এখানের শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ উপভোগ করেন।"
ছবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র চৌধুরী এসপি আসলাম অর্থাৎ এই সঞ্জয় দত্ত এই বিদ্য়ালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র। 'ধুরন্ধর ২'-এর শুটিংয়ে জিয়া নস্ট্যাল প্রধান শিক্ষক হিম্মত সিং ধিলোঁর। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, "বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা শুটিংয়ের সময় এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে। যা ওদের কাছে বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। রণবীর সিং এখানে অনেকটা সময় কাটান।"
সেন্ট লরেন্স স্কুল
আরও যোগ করেন, "আদিত্য ধরের সঙ্গে ইয়ামি গৌতমও এই বিদ্যালয়ে এসে এখানের শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ উপভোগ করেন।" ১৮৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলটি প্রাচীনতম কো-এডুকেশনাল বোর্ডিং স্কুলগুলির অন্যতম। বলিউডের সঙ্গে রয়েছে দীর্ঘ সংযোগ।
সাম্প্রতিক অতীতে সঞ্জয় দত্তের বাবা সুনীল দত্ত, মা নার্গিস দত্ত, বলরাজ সাহানি-সহ অনেকেই এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। এছাড়াও প্রাক্তনীদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের 'বাবলি গার্ল' প্রীতি জিন্টা, সইফ আলি খান ও পূজা বেদি।
