তিনি পাঞ্জাবি সুপারস্টার। দেশজুড়ে তাঁর মতো জনপ্রিয় গায়ক খুব কমই আছেন এই মুহূর্তে। কিন্তু এহেন জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ জানিয়ে দিলেন তিনি রাজনীতিতে আসতে আগ্রহী নন।
এক্স হ্যান্ডলে দিলজিৎ স্পষ্ট লিখলেন, 'কক্ষনও নয়। আমার কাজ বিনোদন দেওয়া। আমি আমার ক্ষেত্র নিয়েই খুব খুশি। অনেক ধন্যবাদ।' আসলে 'পাঞ্জাবি ট্রিবিউন' নামের এক সংবাদমাধ্যমের তাদের পোস্টে প্রশ্ন উগরে দিয়েছিল, দিলজিৎ দোসাঞ্জ কি পাঞ্জাবের নতুন রাজনৈতিক মুখ হতে পারেন? সেই পোস্টটি শেয়ার করেই একথা লিখলেন দিলজিৎ। বুঝিয়ে দিলেন তিনি তাঁর কাজ নিয়েই মগ্ন। রাজনীতির আঙিনায় পা রাখার কোনও বাসনা তাঁর নেই।
দিলজিৎকে এরপর দেখা যাবে ইমতিয়াজ আলির 'ম্যায় ওয়াপস আয়ুঙ্গা' ছবিতে। এর আগে 'চমকিলা' ছবিতে তাঁকে দেখা গিয়েছিল অমর সিং চমকিলার ভূমিকায়। শেষবার তাঁকে দেখা যায় জেপি দত্তর 'বর্ডার ২'-তে।
বিনোদুনিয়া থেকে রাজনীতির ময়দানে পা রাখা কিন্তু আখছারই ঘটে। এই মুহূর্তে দেশীয় রাজনীতিতে বিজয় থলপতিকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। গত সোমবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন দ্রাবিড়ভূমের আকাশ-বাতাসজুড়ে একটাই রব ছিল- ‘বিজয় ধান ভারুভারু…’, বাংলায় যার তর্জমা করলে দাঁড়ায়- ‘বিজয়ের জয় অবশ্যম্ভাবী।’ শেষে দেখা চলচ্চিত্র জগতের চূড়ান্ত সফল এক অভিনেতা এবার রাজনীতিতেও জয়ী হয়েছেন। তামিলনাড়ুর নির্বাচনে তাঁর দল পেয়েছে সবচেয়ে বেশি ১০৮টি আসন। একেবারে ‘জন নায়াগন’ অর্থাৎ ‘জননায়ক’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তিনি। যদিও এখনও সরকার গড়ে ফেলতে পারেনি তাঁর দল, তবু তাঁকে কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খাচ্ছে দাক্ষিণাত্যের রাজনীতি। অতীতেও বহু দক্ষিণী তারকা রাজনীতির ময়দানে ভাগ্য নির্ধারণ করতে নেমেছেন। দেশের অন্য প্রান্তেও এমনটা লক্ষ করা গিয়েছে। কিন্তু উলটো পথে হাঁটলেন দিলজিৎ। রাজনীতি থেকে দূরত্ব বাড়ালেন।
