বলিউডে কান পাতলেই শোনা যায় দিশা পাটানি ও তালবিন্দর সিং সিধুর প্রেমের গুঞ্জন। পাঞ্জাবী এই গায়ককে দেখলে মুখোশে-মানুষে একাকার হওয়ার মতো বিষয়ও যেন মনে হতে বাধ্য। কারণ নিজের অবয়বকে তা মুখোশে ঢেকে আড়ালে রাখতেই ভালোবাসেন তালবিন্দর। শ্রোতা-অনুরাগীদের কাছে এভাবেই তিনি ধরা দেন। যা তাঁর 'সিগনেচার স্টাইল' বললেও বোধহয় ভুল হবে না। আর তালবিন্দরের সেই মুখোশহীন মুখের ছবিই সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। যা ভাইরাল হতেই রাতারাতি পালটে গিয়েছিল গায়কের জীবন। ঠিক কী হয়েছিল? ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথাই এবার তুলে ধরলেন পাঞ্জাবী গায়ক।
কীভাবে এই ঘটনায় নাকি আমূল বদলে গিয়েছিল তালবিন্দরের জীবন? এই নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, 'একদিন সকালে উঠে আবিষ্কার করলাম আমার মুখোশহীন ভিডিও নেটপাড়ায় সর্বত্র বিরাজ করছে। আমি বলে বোঝাতে পারব না তা দেখার পর আমার ঠিক কী মানসিক অবস্থা হয়েছিল। আমার মানসিক স্থিতি ছিল না। আমার মনে হচ্ছিল আমার মুখটাই আমার থেকে কেউ ছিনিয়ে নিয়েছে। এ যে ঠিক কেমন অনুভূতি তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। ওই ঘটনার পর আমার দুনিয়াটাই মনে হচ্ছিল যেন বদলে গিয়েছে। বিভিন্ন পেজে আমার ভিডিও ভাইরাল হচ্ছিল। আমি এসব দেখে একটাই কথা বলতে চাই যে, নেটপাড়ায় যারা সামান্য কিছু ভিউজের জন্য এই নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন এবং ভিডিও বানাচ্ছেন, আমাকে ব্যবহার করছেন তাতেই বোঝা যাচ্ছে আপনারা ঠিক কেমন প্রকৃতির মানুষ।'
দিশা পাটানি, ছবি: সোশাল মিডিয়া।
বলে রাখা ভালো কৃতীর বোন নূপুর স্যাননের বিয়েতে দিশা ও তালবিন্দরকে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়। এমনকী সেই বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে মুখোশ ছাড়াই দেখা গিয়েছিল তালবিন্দরকে। ব্যস, তারপরেই গায়কের মুখ সকলের সামনে এসে যায়। নেটপাড়ায় তুমুল ভাইরাল সেই ভিডিওই নাকি নিমেষে পালটে দিয়েছিল তালবিন্দরের পুরো জগৎ। এখানেই শেষ নয়, একইসঙ্গে তালবিন্দর, তাঁর ও দিশার সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, "আমরা এখন একে অপরকে চেনার, জানার ও বোঝার চেষ্টা করছি। বোঝাপড়ার পর্যায়ে রয়েছি আমরা এই মুহূর্তে। তাই এই নিয়ে আমি বিশেষ কিছু মন্তব্য করতে চাই না। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে আপনারা গুজব রটাতে চাইছেন, যা পারেন করুন। আমার কিছু এসে যায় না।"
