ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ইম্পার অশান্তি (EIMPA Controversy) অব্যাহত। শুক্রবারও ইম্পার মিটিংয়ে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন সদস্যরা। বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের (Piya Sengupta) পদত্যাগের দাবিতে অনড় বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। ইম্পার বর্তমান ইসি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ সদস্যদের দীর্ঘক্ষণ মিটিং হয়। কিন্তু, মিটিংয়ের শেষেও কোনও সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি।
"আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমি পদত্যাগ করব। আগে প্রমাণ করুন। ওঁরা আমাকে মানসিক নির্যাতন করছেন।..."
বিক্ষুব্ধ সদস্যদের তরফে সিনেপরিবেশক শতদীপ সাহা দাবি করেন, "পিয়া সেনগুপ্ত প্রথমে পদত্যাগ করতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু তারপরে হঠাৎই তিনি সুর বদল করেন। আমাদের কাছে ওঁর দুর্নীতির সব প্রমাণ আছে। এবার আমরা সব প্রমাণ পেশ করব। এই কমিটিকে আমরা মানি না। ২২ তারিখ পর্যন্ত আমরা এই কমিটিকে মানব না। কারণ পুরো কমিটিই অবৈধ।" অপরদিকে সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত আগেই জানিয়েছিলেন, চলতি মাসের ২২ তারিখে ইসি কমিটির গুরুত্বপূর্ণ মিটিং রয়েছে। পিয়ার পালটা দাবি, "আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমি পদত্যাগ করব। আগে প্রমাণ করুন। ওঁরা আমাকে মানসিক নির্যাতন করছেন। আমার সামাজিক জীবন নষ্ট করছেন। মিটিংয়ে আমার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।"
গোষ্ঠীকোন্দলে ইম্পায় তীব্র বিক্ষোভ
বুধবার দিনভর চাপানউতরের পর উভয়পক্ষ ঠিক করেছিলেন, শুক্রবার মুখোমুখি বসবেন তাঁরা। সেইমতো এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়া সিনেমাহলের মালিক অরিজিৎ দত্ত, পরিবেশক ও হলমালিক শতদীপ সাহা, প্রযোজক রতন সাহা, পীযূষ সাহা, কৃষ্ণ দাগা, মিলন ভৌমিক-সহ ১২ জন সদস্য। পিয়ার পাশে দেখা যায় কমিটির সদস্য বনি সেনগুপ্ত, প্রযোজক বিভাগের চেয়ারম্যান ঋতব্রত ভট্টাচার্য, কমিটির সম্পাদক-সহ ১২ জনকে। মোট ২৪ জন সদস্য দীর্ঘ সময় ধরে বৈঠক করেন। আলোচনা চলাকালীন দু'পক্ষের দোষারোপ চরমে ওঠে। শতদীপ সাহা আরও জানান, "আগামী বৃহস্পতিবার আবার একটি মিটিং ডাকা হয়েছে। সেদিন ইম্পার সকল সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। আমরা প্রমাণ করে দেব যে বর্তমান এই কমিটি অবৈধ।" এপ্রসঙ্গে পিয়া সেনগুপ্তর মত, "আমরা দিনকয়েকের মধ্যেই আদালতের অর্ডার দেখিয়ে প্রমাণ করে দেব যে আমরা বৈধভাবেই কমিটিতে রয়েছি।
