অভিনয়ের পাশাপাশি আজকাল রূপোলি দুনিয়ার তারকারা আয়ের উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছে বিকল্প পথ। হাই প্রোফাইল সেলেবদের ব্র্যান্ডের জিনিস বা রেস্তরাঁ কিংবা কোনও প্রসাধনী দ্রব্যের মূল্য সাধারণের আয়ত্তের বাইরে। দাম শুনলেই ছ্যাঁকা খায় আমজনতা। ২০২২ সালে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার 'সোনা হোম' নামক এক গৃহসজ্জার সামগ্রীর ব্র্যান্ড চালু করেন। পণ্যের দাম প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনদের সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন দেশি গার্ল।
সোনা হোমের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে টেবিলক্লথের দাম ৩০,৬১২ টাকা, ডিনার প্লেটের দাম ৪,৭৩৩ টাকা, চায়ের কাপ ৫,৩৬৫ টাকা আর কফি মগের দাম ৩,৪৭১ টাকা। অন্যদিকে শিল্পা শেট্টির মুম্বইয়ের ‘বাস্টিয়ন’রেস্তরাঁয় খাবারের দামও একেবারে গগনচুম্বী। মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, প্রতি রাতে দুই থেকে তিন কোটি টাকা পকেটে আসে মিসেস শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রার। শাহরুখ পত্নী গৌরী খানের রেস্তরাঁর মেনুও সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে।
কিন্তু, স্রোতের বিপরীতে হেঁটেছেন বলিউডের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যাঁর রেস্তরাঁয় খাবারের দাম একেবারে পকেট ফ্রেন্ডলি। সিনেমার টিকিটের চেয়েও কম দামে পাওয়া যায় বাহারি দক্ষিণী আইটেম। হায়দরাবাদে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর এই রেস্তরাঁয় হরেক রকমের দক্ষিণী খাবারের বিপুল সম্ভার দেখে নাকি জিভে জল চলে আসে। ১০০ টাকার চেয়েও কম দামের মেনুর জন্যই সকলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে হায়দরাবাদের এই রেস্তরাঁটি।
এখানে মাত্র ৮০ টাকায় পাওয়া যায় দুর্দান্ত মশালা ধোসা, মিলেট ধোসার দাম মাত্র ৭০ টাকা। দুই পিস মিলেট ইডলির দাম ৬০ টাকা, মিলেট পঙ্গল ৯০ টাকা আর দই ভাত পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮০ টাকায়। অভিনেত্রীর রেস্তরাঁয় সাশ্রয়ী মূল্যে এমন খাবারের মেনু সত্যিই অবাক করার মতোই ঘটনা!
এই অপ্রত্যাশিত বৈপরীত্যই এখন সোশাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী আর কেউ নন, বলি ডিভা রকুল প্রীত সিং। তাঁরই রেস্তরা 'আরামবাম' এখন খাদ্যরসিকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। সাধ্যের মধ্যে সাধপূরণ তো একেই বলে! এই জায়গাটির বিশেষত্ব শুধু একজন সেলিব্রিটির উদ্যোগ তা নয় বরং প্রধান উদ্দেশ্য হল স্বাস্থ্যকর খাবারকে সাধারণ মানুষের সামনে পরিবেশন করা।
রকুলের জনসেবা!
