সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১২ জুন প্রয়াত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি তথা প্রাক্তন কাপুর জামাই সঞ্জয় কাপুর। আইনি জট কাটিয়ে ১৯ জুন তাঁর দেহ দেশে ফেরানো সম্ভব হয় শেষকৃত্যের জন্য। দিল্লির লোধি রোডের শ্মশানে হয় সঞ্জয়ের শেষকৃত্য। রবিবার ২২ জুন তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয় দিল্লির এক পাঁচতাঁরা হোটেলে। রবিবার দুপুরেই দুই সন্তানকে নিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন করিশ্মা কাপুর। সঙ্গে গিয়েছেন করিনা কাপুর ও সইফ আলি খানও।
রবিবার মুম্বইয়ের কলিনা বিমানবন্দরে তাঁদের সকলকেই দেখা গিয়েছে। সাদা পোশাকে এদিন দিল্লিতে সঞ্জয়ের স্মরণসভায় যোগদান করতে উড়ে গিয়েছেন তাঁরা। চোখেমুখে স্বজন হারানোর শোক স্পষ্ট। থমথমে মুখ করিশ্মার। এই পুরো সময়টায় করিশ্মার পাশে ছায়ার মতো থেকেছেন বেবো। দিদি লোলোকে আগলে রেখেছেন বেবো সঙ্গে রয়েছেন সইফও। এদিন প্রথমে বিমানবন্দরে ধরা পড়ে করিশ্মার আনমনা চেহারা। অন্যদিকে সঞ্জয়ের স্মরণসভায় যখন প্রবেশ করেন লোলো তখনও তাঁকে দেখে বোঝা জাচ্ছিল যে তিনি কতটা শোকসন্তপ্ত। ১২ জুন লন্ডনে পোলো খেলার মাঝেই হঠাৎই এক মৌমাছি ঢুকে যায় সঞ্জয়ের গলায়। আর সেটা বার করতে না পেরেই ঘাবড়ে গিয়েছিলেন তিনি। এতটাই বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন যে, তৎক্ষণাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী। পরিবার-পরিজনরা চিকিৎসা করানোর সময়টুকুও পাননি।
মৃত্যুর সময় লন্ডনেই ছিলেন সঞ্জয় কাপুর। গত ১২ জুন, সেখানে পোলো খেলছিলেন তিনি। আচমকা তাঁর মুখের ভিতর মৌমাছি ঢুকে যায়। মুহূর্তের মধ্যে অঘটন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় করিশ্মার প্রাক্তন স্বামীর। আইনি জটিলতায় দেহ দিল্লিতে ফিরতে বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। অবশেষে ১৯ জুন সঞ্জয়ের দেহ ফেরে রাজধানীতে। খ্যাতনামা শিল্পপতি সঞ্জয়ের সঙ্গে ২০০৩ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন করিশ্মা কাপুর। তবে সেই দাম্পত্য সুখকর হয়নি! তাই একদশক সংসার করার পর ২০১৬ সালে করিশ্মা কাপুরের সঙ্গে ডিভোর্স হয়। তবে বিচ্ছেদ হলেও দুই সন্তানকে বাবার থেকে আলাদা করেননি কাপুরকন্যা। বিবাহবিচ্ছেদের পর এনেছিলেন সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ। তবে সেই রাগ- অভিমান গলে জল জল হয়ে গেল প্রাক্তন স্বামীর মৃত্যুর পর। শোকাতুর করিশ্মা ভেঙে পড়েছিলেন স্বামীর মৃত্যুর খবরে।
