বনগাঁ কাণ্ডে তনয় শাস্ত্রী বনাম মিমি চক্রবর্তীর তরজা যেন কিছুতেই থামছে না। বরং যতদিন যাচ্ছে, আরও জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি! মিমিকে হেনস্তার অভিযোগে ধৃত তনয় শাস্ত্রী শ্রীঘরে চোদ্দ দিন কাটিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। টলি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পালটা মানহানির মামলা দায়ের করেন তনয় শাস্ত্রী। কিন্তু, তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, একের পর এক এক তারিখ পেরিয়ে গেলেও আদালতে গরহাজির মিমি। তাই এবার তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপির বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতে নায়িকার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন। ফলস্বরূপ মিমির হাজিরা হবে বাধ্যতামূলক।
টলিপাড়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে মিমি চক্রবর্তীকে ঘিরে এই খবরে শোরগোল সিনেপাড়ায়। যাকে নিয়ে এত কাণ্ড অর্থাৎ মিমি চক্রবর্তী, তাঁর কী প্রতিক্রিয়া? একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো বরাবরই আড়ালে রাখেন অভিনেত্রী। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি, সে কথা বলাই বাহুল্য। সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ না খুললেও, একধাপ এগিয়ে সমাজমাধ্যমে একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিলেন মিমি। এযাবৎকাল বনগাঁ কাণ্ড ঘিরে তাঁকে নিয়ে যে তথ্যগুলো উঠে আসছে তার বিরোধীতা করেছেন।
মিমি চক্রবর্তী বনাম তনয় শাস্ত্রীর লড়াই
প্রয়োজনে নিতে পারেন আইনি ব্যবস্থাও। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মিমির বক্তব্য, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কোনওভাবেই এধরনের কোনও ঘটনাকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর বিরুদ্ধে কিছু বলার আগে সেটা যেন সম্পূর্ণ যাচাই করে নেওয়া হয় সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিনেত্রী।
মিমির হুঁশিয়ারি
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে সেখানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল।
সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। এরপর জামিনে ছাড়া পেয়ে পালটা মিমির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।
