সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত সোমবারই অবৈধ বেটিং অ্যাপ মামলায় দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে হয় মিমি চক্রবর্তীকে। এদিন টানা ন' ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার মুখিমুখি হন অভিনেত্রী। পরে জানা যায়, তাঁর বয়ানে আপাতত সন্তুষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এবার ইডি হাজিরার সাত দিনের মাথায় অবৈধ বেটিং অ্যাপগুলির কার্যকলাপ নিয়ে নিজেই সকলকে সচেতন করলেন মিমি চক্রবর্তী।
সামনেই 'রক্তবীজ ২'-এর মুক্তি। যে ছবিতে দাপুটে পুলিশ অফিসার সংযুক্তার ভূমিকায় বন্দুকবাজি করতে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। তার প্রাক্কালেই অবৈধ বেটিং অ্যাপ নিয়ে সকলকে সচেতন করে দিলেন পুলিশ আধিকারিক সংযুক্তা। সোমবার ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রীর মন্তব্য, "আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ করছি এবং এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আহ্বান জানাচ্ছি। ভারত সরকার সমস্ত ধরনের রিয়েল মানি গ্যামিং অ্যাপস ভারতে নিষিদ্ধ করেছে। এর মধ্যে অনুমতিহীনভাবে অবৈধ বেটিং সাইটগুলিও অন্তর্ভূক্ত। আমি সবাইকে অনুরোধ করব এমন অবৈধ অ্যাপ থেকে দূরে থাকুন যা জুয়া বা বেটিংয়ের মতো কার্যকলাপের সাথে যুক্ত। এইধরণের অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তথ্য চুরি, সাইবার হামলা ও অন্যান্য সাইবার প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।"
মিমির সংযোজন, "আমি কোনওভাবেই এমন কোনও ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত নই যারা এধরনের কার্যকলাপকে প্রচার করে। সোশাল মিডিয়ায় বা অন্য কোনও মাধ্যমে কোনও ধরনের বিজ্ঞাপন বা প্রচারে যদি আমার নাম বা ছবি ব্যবহার করা হয়, তা সম্পূর্ণভাবে অনুমতিহীন। অতএব দয়া করে এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন এবং এই ধরনের অ্যাপ্লিকেশন থেকে নিজে দূরে থাকুন এবং অন্যকেও সচেতন করুন।" অতঃপর আর কেউ যাতে এই বেটিং অ্যাপগুলির ফাঁদে না পড়েন, সতর্ক করে দিলেন অভিনেত্রী। আবার একাংশের দাবি, যেহেতু অভিনেত্রী তাঁর পোস্টে 'বিনা অনুমতিতে নাম-ছবি ব্যবহারের' কথা উল্লেখ করেছেন, সেক্ষেত্রে কি ভুয়ো বিজ্ঞাপনের জন্যই আইনি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মিমি? যদিও তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে মিমি যে সকলকে সচেতন করতেই এই পোস্ট করেছেন, সেটা স্পষ্ট।
