নয়ের দশকের ছেলেমেয়েদের কাছে সুপারহিরো শক্তিমান আজও একটা আবেগ! ঘড়ির কাঁটার সময় ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখত প্রত্যেকে। টিআরপি চার্টে একচেটিয়া রাজত্ব করা সেই দাপুটে সিরিয়ালকে সিনেমার আকারে তৈরির পরিকল্পনাও চলছে। কিন্তু, শক্তিমানের মতো আইকনিক চরিত্রে রণবীর সিংকে নাপসন্দ মুকেশ খান্নার। ছবি তৈরিতে বিলম্বের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছেন শক্তিমান মুকেশ। ২০২৫ থেকেই বড় পর্দায় শক্তিমানের চরিত্র নির্বাচন নিয়ে মুকেশের (Mukesh Khanna) 'বায়নাক্কা' চলছেই। কয়েকদিন আগেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোটি টাকার লোকসান হলেও রণবীরে 'না' মুকেশের। এর মাঝেই ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা মুকেশ খান্না।
৬৭-এও অবিবাহিত অভিনেতা। ষাটোর্ধ্ব মুকেশ এবার জীবনটাকে নতুনভাবে গুছিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন? সম্প্রতি এক পডকাস্টে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন মুকেশ খান্না। সেখানেই শোয়ের সঞ্চালক জানতে চান সত্তর ছুঁই ছুঁই, তবুও কেন অবিবাহিত? বিন্দুমাত্র সংকোচ না করে মুকেশ তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন। সম্পর্কের মূল্যবোধ, একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া, কারও প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া সবকিছু নিয়েই খোলামেলা কথা বলেন মুকেশ খান্না।
সম্পর্ক এবং প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে মুকেশের মত, একাধিক প্রেম প্রকৃত পুরুষত্বের পরিচয় নয়। পুরুষত্ব প্রমাণ করতে একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া মোটেই বাঞ্ছনীয় নয়। একটা বিষয়ে বারবার আলোকপাত করেছেন যে তিনি একেবারেই নারীবিদ্বেষী নন, বরং মহিলাদের প্রতি রয়েছে তাঁর গভীর শ্রদ্ধা।
বৈবাহিকবন্ধনে আবদ্ধ না হলেও বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানে দৃঢ় বিশ্বাসী। বয়স তাঁর কাছে একটা সংখ্যামাত্র। বিয়ের জন্য কোনও নির্দিষ্ট বয়সের সীমা বেঁধে দেওয়ায় একেবারেই বিশ্বাসী নন মুকেশ। এখনও যোগ্য পাত্রীর খোঁজে পর্দার শক্তিমান। মুকেশ বলেন, "আমি বিয়েতে বিশ্বাস করি। মানুষ ভাবে যদি কেউ বিয়ে না করে তাহলে বোধহয় বিয়ের প্রতি তাঁর কোনও আস্থা বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। কিন্তু, এটা মোটেই ঠিক নয়। আমি বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানকে অনেকের চেয়েও বেশি বিশ্বাস করি। কোনও পুরুষের জীবনে হঠাৎ করে স্ত্রীয়ের আবির্ভাব ঘটে না। যাঁর ভাগ্যে যে লেখা থাকবে সেই জীবনে আসবে। আমার ভাগ্যে যদি থাকত তাহলে এতদিনে বিয়েটা হয়েই যেত। যে নারী আমার জন্য নির্ধারিত সে কোথাও তো নিশ্চয়ই আছে। যখন ভাগ্য আমাদের মিলিয়ে দেবে তখনই শুভ পরিণয় সুসম্পন্ন হবে।"
পাত্রীর খোঁজে ৭০ ছুঁই ছুঁই মুকেশ
বিয়েকে দুই আত্মার মিলন বলেও ব্যখ্যা করেন মুকেশ। তাঁর মতে, "শাস্ত্র অনুযায়ী, স্ত্রী হল পূর্বজন্মের প্রারব্ধ। পুরুষের জীবনের কর্মফল সংশোধন করতেই তাঁর আগমন ঘটে। সম্পর্ক অনেক হতে পারে, কিন্তু স্ত্রী একটাই। বিয়ে দুই আত্মার মিলন। ভালোবাসা জীবনে একবারই আসে। বাকিসব শুধু মোহমায়া। একজনকে প্রেম নিবেদন করে অন্য কারও কাছে চলে গেলে সেটাকে দ্বিচারিতা করা বলে।"
পাত্রীর খোঁজে 'শক্তিমান'
সম্পর্ক এবং প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে মুকেশের মত, একাধিক প্রেম প্রকৃত পুরুষত্বের পরিচয় নয়। পুরুষত্ব প্রমাণ করতে একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া মোটেই বাঞ্ছনীয় নয়। একটা বিষয়ে বারবার আলোকপাত করেছেন যে তিনি একেবারেই নারীবিদ্বেষী নন, বরং মহিলাদের প্রতি রয়েছে তাঁর গভীর শ্রদ্ধা।
