প্রয়াত বিখ্যাত কমেডিয়ান উত্তম দাস (Uttam Das)। কৌতুকশিল্পী হিসেবে তো বটেই একইসঙ্গে উপস্থাপকের ভূমিকাতেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। আশির দশকে টেপ-রেকর্ডারের যুগে মঞ্চ মাতিয়ে রাখতে উত্তম দাসের ছিল জুড়ি মেলা ভার। এদিন তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন টলিউডের 'জ্যেষ্ঠপুত্র' প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)।
সোশাল মিডিয়া পোস্টে প্রসেনজিৎ লেখেন, 'উত্তম দাস ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি মঞ্চে উঠলেই যেন জাদু সৃষ্টি করতেন। তিনি ছিলেন সত্যিকারের এক প্রতিভা। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর কাজ ও স্মৃতি চিরকাল আমাদের হৃদয়ে থেকে যাবে।' মঞ্চে উত্তম দাস দর্শক মঞ্চ থেকে চোখ ফেরানোর ফুরসৎ পেতেন না। তার একটাই কারণ, তাঁর উপস্থাপনা, কণ্ঠ, বাচন ভঙ্গি। নিখাদ হাস্যরসই ছিল তাঁর শিল্পের মূল উপজীব্য। কয়েক দশক ধরে সমৃদ্ধ করেছেন কৌতুকশিল্প তথা বিনোদুনিয়া। পাড়ায় পাড়ায় জলসা ছিল একসময়ে ভীষণ জনপ্রিয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিজয়া সম্মিলনীর জলসা। যা তাঁকে ছাড়া সম্পূর্ণ হত না। তাই বাঙালির বড় উৎসব শেষে জলসায় ডাক পড়ত তাঁর। বাংলার গ্রাম ও শহরতলিতে তিনি বিশেষভাবে জনপ্রিয় ছিলেন।
সোশাল মিডিয়া পোস্টে প্রসেনজিৎ লেখেন, 'উত্তম দাস ছিলেন এমন একজন মানুষ, যিনি মঞ্চে উঠলেই যেন জাদু সৃষ্টি করতেন। তিনি ছিলেন সত্যিকারের এক প্রতিভা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর জনপ্রিয়তা একই থেকেছে। মঞ্চে পারফর্ম করার পাশাপাশি তাঁর ক্যাসেটও প্রকাশ হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম 'হাসির মালপোয়া' ও 'হাসির হেডলাইট'। খড়দহের বাসিন্দা কৌতুক শিল্পী উত্তম দাস উঠে এসেছিলেন অত্যন্ত নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে। নিজের যোগ্যতায় তৈরি করে নিয়েছিলেন নিজের জায়গা। সকলের সামনে তুলে ধরেছিলেন নিজের প্রতিভা। তাঁর মৃত্যুতে কার্যত শোকের ছায়া বাংলা বিনোদুনিয়ায়।
