চেক বাউন্স মামলায় আত্মসমর্পণ বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের। গত বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। আপাতত তিহাড় জেলই ঠিকানা অভিনেতার। আত্মসমর্পণের সময় স্বাভাবিকভাবেই তাঁর চোখেমুখে উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট। আত্মসমর্পণের আগে মুখ খোলেন কৌতুক অভিনেতা। তিনি বলেন, "এই পৃথিবীতে কেউ কারও বন্ধু নয়। আর কোনও পথ আমার খোলা নেই।"
২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা এবং তাঁর স্ত্রী। চেক বাউন্সের মামলায় সেসময়ে তাঁদের সাজা স্থগিত হয়ে যায়। ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেও রাজপালের সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে বা অর্থ ফেরত দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলেই আশা করেছিল আদালত। কিন্তু জানা গিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসে দেড় কোটি টাকা ডিমান্ড ড্রাফটে জমা দিয়েছেন রাজপাল। তবে তারপরেও টাকা শোধ করতে পারেননি অভিনেতা। ৯ কোটি টাকা এখনও বকেয়া তাঁর।
জানা গিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসে দেড় কোটি টাকা ডিমান্ড ড্রাফটে জমা দিয়েছেন রাজপাল। তবে তারপরেও টাকা শোধ করতে পারেননি অভিনেতা। ৯ কোটি টাকা এখনও বকেয়া তাঁর।
এই মামলায় গত মঙ্গলবার দিল্লি হাই কোর্ট জানায় রাজপালের বিরুদ্ধে নেওয়া আগের শিথিল অবস্থান প্রত্যাহার করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী বুধবার বিকেল চারটের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। সম্প্রতি মুম্বইয়ে কর্মসূত্রে ছিলেন অভিনেতা। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দিল্লিতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন অভিনেতা। এর আগেও তিনদিন তিহাড় জেলেই থাকতে হয় তাঁকে। মাঝে জামিনে বেশ কয়েকদিন মুক্তি পান। একটা সময়ে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল বিখ্যাত সংলাপ, ‘হাম কোই মন্দির কা ঘণ্টা হ্যায় কি কোই ভি আকে বাজা যাতা হ্যায়?' সেই সংলাপ শুনে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গিয়েছিল আমজনতার। কিন্তু সেই সংলাপের বক্তা রাজপাল যাদবকে আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত টেনে যেতেই হবে জেলের ঘানি।
