বিগত সরকারের আমলে পঞ্চায়েতে দুর্নীতি নিয়ে ফের সরব হলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও কৃষি বিপণন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি সাফ জানিয়েছেন, যাঁরা অবৈধভাবে টাকা লুঠ করেছেন তাঁদের সাজা দেওয়ার চেষ্টা হবে। আর এই দুর্নীতি খুঁজে বের করার জন্যই রাজ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৩৫০ গ্রাম পঞ্চায়েতে বিশেষ অডিট হচ্ছে বলে তিনি জানান।
নির্বাচনের আগে কিছু কাজের টেন্ডার রিভিউ করা হচ্ছে বলে জানিয়ে দিলীপ বলেন, "অনেক রাস্তা হয়েছে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া। এগুলিও রিভিউ করা হচ্ছে। দুর্নীতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
শনিবার বিকালে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ খড়গপুর গ্রামীণ থানার বিদ্যাসাগর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। তার আগে তিনি রাজ্যের পঞ্চায়েত নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "গত কয়েক বছরে ক্যাগের রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রাম পঞ্চায়েতে ঠিকঠাকভাবে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। যদিও পরিমাণ সঠিক জানি না।" তবে সেই দুর্নীতি খুঁজতে গেলে সময় লাগবে। তার আগে পঞ্চায়েতগুলিকে পরিচালনার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
পাশাপাশি তিনি আবাস যোজনায় দুর্নীতি নিয়ে বলেন, "আবাস যোজনায় দুর্নীতি হয়েছে। ১২৫০০ জন, যারা যোগ্য নয় তারা টাকা নিয়ে নিয়েছে। তারমধ্যে হাজার জন টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকিদের নোটিস দেওয়া হচ্ছে।" নির্বাচনের আগে কিছু কাজের টেন্ডার রিভিউ করা হচ্ছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, "অনেক রাস্তা হয়েছে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া। এগুলিও রিভিউ করা হচ্ছে। দুর্নীতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" বলে রাখা প্রয়োজন, দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি রুখতে বিধানসভায় পঞ্চায়েত সংশোধনী বিল পাশ করানো হয়েছে। যার মাধ্যমে একাধিক ক্ষেত্রে রদবদল আনা হয়েছে। এবার দুর্নীতি খুঁজতে ৩৫০ গ্রাম পঞ্চায়েতে বিশেষ অডিটের পথে পঞ্চায়েত দপ্তর।
