বিজয়-রশ্মিকার বিয়ে, রিসেপশনের (Rashmika Mandanna- Vijay Deverakonda Reception) দিকে নজর গোটা বিনোদুনিয়ার। বিয়ের সাজে চমক দিয়েছিলেন বিরোশ। তাঁদের শাড়ি, গয়না নিয়ে আলোচনা হয়েছে সর্বত্র। বুধ সন্ধ্যায় হায়দরাবাদের গ্র্যান্ড রিসেপশনেও চমক দিলেন দু'জনে।
রশ্মিকা সেজেছেন সিঁদুর লাল রঙের শাড়ি। সঙ্গে কালো সরু পাড়। উপরে সোনালি জরির কাজ। গলা ভর্তি গয়না। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গলার মঙ্গলসূত্র। সিঁথিতে সিঁদুর। খোঁপায় ফুল। বিজয়ের পরনে দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ঘিয়ে-সোনালি পাড়ের ধুতি ও কুর্তা। বিয়ের মতো রিসেপশনে অবশ্য বিজয়ের গায়ে গয়নাগাটি নেই। সুতরাং রিসেপশনেও সাজগোজের ক্ষেত্রে ঐতিহ্যের উপরেই যে বিশেষ জোর দিয়েছেন বিরোশ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।পরিবারের লোকজনের সঙ্গে হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা গিয়েছে নবদম্পতিকে।
রিসেপশনের সাজে বিজয় ও রশ্মিকা। ছবি: সোশাল মিডিয়া
বিজয়-রশ্মিকার রিসেপশনে কোন কোন তারকা ভিড় জমান, সেদিকে এখন নজর সকলের। বলে রাখা ভালো, বিয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছেন বিজয় ও রশ্মিকা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁদের। সম্ভবত আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন দু’জনই। এছাড়া বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতাদের রিসেপশন আমন্ত্রণ করেছেন তাঁরা। তেলুগু, তামিল, মালায়ালম, কন্নড় ছবির অভিনেতারাও বিরোশের গ্র্যান্ড রিসেপশনে আসতে পারেন। সবমিলিয়ে আমন্ত্রিতদের তালিকায় যে ঠাসা হাই প্রোফাইল ব্যক্তিত্বের ভিড়, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। রিসেপশনের আগে নাকি প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা একাধিকবার নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করেছেন।
সূত্রের খবর, পথেঘাটে ভিড়ভাট্টা এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আমন্ত্রিতদের তালিকাও কাটছাঁট করতেও নাকি বলা হয়েছিল নবদম্পতিকে। তাতে নাকি রাজিও হয়ে গিয়েছিলেন বিরোশ। কারণ, তাঁদের বিয়ে ঘিরে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা চান না বিজয়-রশ্মিকা কেউই। তাই অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা যাতে কোনওভাবে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকেই প্রধান গুরুত্ব দিয়েছেন দু'জনে। বিয়ের মতো রিসেপশনের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে। আমন্ত্রিত ছাড়া কাউকে এই অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
