রাত পোহালেই চার হাত এক হবে বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানার। তার আগে হবু দম্পতিকে নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদয়পুরে বসবে তাঁদের রাজকীয় বিয়ের আসর। আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রীও। হবু দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিতে কী লিখলেন তিনি?
বিজয়-রশ্মিকার আমন্ত্রণপত্রের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ের বাবা ও মায়ের উদ্দেশে লেখেন, '২৬ ফেব্রুয়ারি বিজয় ও রশ্মিকার বিয়ের (Rashmika-Vijay Wedding) এই আমন্ত্রণ পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। বিজয় ও রশ্মিকার পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। বিজয় ও রশ্মিকার জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। সপ্তপদীর সঙ্গে সঙ্গে ওরা দু'জন শুধু দম্পতিই নয়, বরং হয়ে উঠুক বন্ধু। একে অপরের পরিপূরক। ঠিক পর্দার মতোই ওদের জীবনেও যেন সমস্ত খুশি উপচে পড়ে এই কামনা করি।'
উদয়পুর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের এক প্রাসাদে বসতে চলেছে বিয়ের আসর। সেখানেই সোমবার রাত থেকে সদলবলে বিবাহ অভিযানে মেতে উঠেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা।
বিজয়-রশ্মিকাকে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাপত্র।
বলে রাখা ভালো, ছেলের পাত্রী হিসেবে বরাবর বিজয়ের মায়ের পছন্দ ছিল দক্ষিণ ভারতীয় মেয়েই। তাঁর সেই ইচ্ছাপূরণ হয়েছে। হবু বউমা রশ্মিকাকে পরিবারের বিশেষ গয়না দিয়ে আশীর্বাদ করবেন বিজয়ের মা। মেহেন্দির অনুষ্ঠানেই রশ্মিকাকে আশীর্বাদ স্বরূপ তুলে দেবেন পরিবারের ঐতিহ্যবাহী বালা। বলিউড সূত্রে খবর, উদয়পুর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের এক প্রাসাদে বসতে চলেছে বিয়ের আসর। সেখানেই সোমবার রাত থেকে সদলবলে বিবাহ অভিযানে মেতে উঠেছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা।
বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের ভেন্যুর ভাইরাল ছবি।
দক্ষিণ ভারতীয় রীতি মেনেই হবে বিজয় ও রশ্মিকার বিয়ের সমস্ত আয়োজন। খাবার পরিবেশন করা হবে কলাপাতায়। খাঁটি দক্ষিণ ভারতীয় খাবারই থাকবে তারকা যুগলের বিয়ের মেনুতে। ওয়েলকাম ড্রিঙ্ক হিসেবে থাকবে নারকেলের জল। শুধু তাই নয়, বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ হয়েছে, উড়বে না কোনও ড্রোন ক্যামেরাও। নানা রকম ছবি দেখা যাচ্ছে সোশাল মিডিয়ায়। কখনও পাহাড় ঘেরা পুলের মাঝে সারি সারি গ্লাস আর তার সঙ্গে অতিথিদের জলকেলি করতে দেখা গেল তো কোনও ফ্রেমে বা আবার কাড়ল নৈশভোজের টেবিলের সজ্জা।
