সোমবার তেলেঙ্গানার থাম্মানপেটের পৈতৃক ভিটেতে পা রাখেন সস্ত্রীক বিজয় দেবরাকোন্ডা। বিবাহত্তোর সমস্ত আচার ও নিয়ম পালনে মেতে উঠেছেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। বিয়ের পর গ্রামের বাড়িতে সত্যনারায়ণ পুজ দেন তারকা দম্পতি। সৌজন্য বিনিময় সারেন গ্রামের মানুষদেরসঙ্গে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, একজন শিল্পীর সমাজের প্রতি যে দায়বদ্ধতা থাকে তা অক্ষরে অক্ষরে পালনের পথে হাঁটলেন নবদম্পতি। নিজের গ্রামে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের ব্রিত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করলেন বিরোশ।
থাম্মানপেটের নাগরকুর্নুল জেলায় নিজের পৈতৃক ভিটেতে পা রেখে এমনই এক সিদ্ধান্ত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন বিজয় ও রশ্মিকা। তাঁদের এই পদক্ষেপে স্থানীয়দের মধ্যে খুশির আমেজ। উল্লেখ্য, 'দেবরাকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'র মাধ্যমে এই সুবিধা পাবে ওই অঞ্চলের মোট ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধা দেওয়া। যাতে তারা স্কুলছুট না হয়ে পড়ে। নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে সক্ষম হয়। এদিন গ্রামের স্থানীয়দের সামনে তেলুগু ভাষায় বক্তব্য রাখেন বিজয়। জানান, তাঁর নতুন এই উদ্যোগ সম্পর্কে। যা শুনে রীতিমতো আপ্লুত হয়ে পড়েন গ্রাম্বাসীরা। বিজয় ও রশ্মিকার এহেন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান তাঁরা। ছেলের এমন পদক্ষেপে গর্বিত হন বিজয়ের মা মাধবী দেবীও।
'দেবরাকোন্ডা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'র মাধ্যমে এই সুবিধা পাবে ওই অঞ্চলের মোট ৪৪টি সরকারি স্কুলের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধা দেওয়া।
তেলেঙ্গানার থাম্মানপেট অঞ্চলের মেহবুবনগরে বিজয়ের গ্রামের বাড়ি। সোমবার সেখানেই বিবাহ পরবর্তী সত্যনারায়ণ পুজোয় যোগ দিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। গ্রামে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার প্রতিটি মানুষ তারকাদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। উল্লেখ্য, বিজয়ের গ্রামের বাড়ির নবনির্মাণ সারা হয়েছে। সেখানেই তাঁদের দেখার জন্য উপচে পড়েছিল তুমুল ভিড়। নবদম্পতিকে দেখার জন্য ভিড় জমিয়েছিলেন স্থানীয়রা। নাচে-গানে দক্ষিণ ভারতীয় প্রথা মেনেই তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। আশীর্বাদ পর্ব সারেন পরিবারের সদস্য ছাড়াও গ্রামের প্রবীণরা। আর এবার নিজের গ্রামের মানুষদের ভবিষ্যৎ আলোকিত করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ করলেন বিরোশ।
