সাল ২০০৬। সেই বছর মুক্তি পেয়েছিল বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত বলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা সিনেমা 'ওমকারা'। এই ছবিতে ল্যাংড়া ত্যাগী চরিত্রে সইফের অভিনয় আজও ভোলেনি দর্শক। কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ও স্মরণীয় পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু, জানেন চরিত্রটিকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে অভিনেতাকে নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে বলেছিলেন পরিচালক!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অতীত ফুঁড়ে 'ওমকারা'র আর কোন সিক্রেট ফাঁস করলেন পতৌদি নবাব? পরিচালকের প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষ রাজি হয়েছিলেন সইফ আলি খান। বিশালকে পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সইফ বলেছিলেন, যদি তিনি নগ্ন হতে পারেন তাহলে তাঁরও কোনও সমস্যা নেই। তারপর...?
'ওমকারা'র স্মৃতিচারণায় সইফ
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সইফ (Saif Ali Khan) বলেন, "আয়নার সামনে একটি দীর্ঘ সংলাপের দৃশ্য ছিল। তখন বিশালজি আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, নগ্ন হয়ে এই দৃশ্যের শট দিতে পারবেন? চরিত্রের প্রয়োজনে প্রস্তাবটা খারাপ ছিল না। তবে সেটে প্রচুর লোকজন থাকায় আমার অস্বস্তি হয়েছিল। তাই আমি বলেছিলাম, আপনি যদি নগ্ন হয়ে আমাকে নির্দেশনা দেন তাহলে আমিও শট দেব। কিন্তু, উনি রাজি হননি। ওই ঘটনাটা আজও আমার কাছে বড্ড হাস্যকর।"
ছবি মুক্তির পর দু'দশক অতিক্রান্ত। পিছন ফিরে তাকালে আফশোস হয় সইফের। আজ মনে হয় নগ্ন হয়ে শট দিলে বোধহয় চরিত্রটা আরও মজবুত হত। এই মর্মে সইফের সংযোজন, "এই সময় দাঁড়িয়ে ভাবলে আমার আর আপত্তি থাকত না। যেভাবে শুট হওয়ার কথা ছিল সেটা সত্যিই পরিচালকের দারুণ ভাবনা ছিল। আমরা তখন প্রত্যেকেই নতুন কিছু করার চেষ্টা করতাম। নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য অনেক সাহসী পদক্ষেপও গ্রহণ করা হত। আমি তখন পারিনি। তবে বর্তমান সময়ে হলে আমি নিশ্চয়ই করতাম।"
সইফ আলি খান
এই মুহূর্তে নবাব বেগম করিনা কাপুর খানের সঙ্গে ছুটির মেজাজে সইফ। সমুদ্রতট থেকে ছুটি কাটানোর একগুচ্ছ ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন করিনা কাপুর, আর সেই অ্যালবামের মধ্যে সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে সইফ আলি খানের হট অবতার। যেখানে সিক্ত শরীরে জল থেকে উঠতে দেখা যাচ্ছে বলিউড নবাবকে। পরনে গেরুয়া রঙের শর্টস। উন্মুক্ত ঊর্ধ্বাঙ্গ। ব্যাক ব্রাশ করা হেয়ারস্টাইল। ষাটোর্ধ্ব সুপারস্টারকে দেখে ভক্তরা বলছে, 'এই না হলে নবাবি কেতা!'
