তারকাদের হাল হকিকত নিয়ে বরাবরই অনুরাগীমহেল কৌতূহল থাকে। নবতিপর সেলিম খানের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসায় সেক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অতঃপর দিন তিনেক ধরে পাপারাজ্জিরাও উৎকণ্ঠা নিয়ে লীলাবতী হাসপাতাল চত্বরে দিনভর ভিড় জমাচ্ছেন। নিয়মমাফিক চিকিৎসকরাও সেলিম খানের স্বাস্থ্যের খবর ভাগ করে নিচ্ছেন তাঁদের সঙ্গে। আর তাতেই বেজায় চটেছেন সলমন খান। ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, বাবার শারীরিক পরিস্থিতির খবরাখবর কেন বাইরে ফাঁস হচ্ছে? সেই প্রশ্ন তুলে অন্তোষ প্রকাশ করেছেন খোদ বলিউড সুপারস্টার।
ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীনও ছবিশিকারীদের উপর মেজাজ হারিয়েছিলেন সানি দেওল। সেলেব পাড়ায় কানাঘুষো, হাসপাতালের বাইরে ভিড় জমানো পাপারাজ্জিদের বাড়বাড়ন্তেই নাকি অতিষ্ঠ হয়ে 'হি ম্যান'-এর মৃত্যুর খবর প্রথমটায় বাইরে আনতে চাননি জেষ্ঠপুত্র সানি।
মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সেলিম খানের আরোগ্য কামনায় রত বলিউড। এদিন সকালে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলিউডের নবতিপর চিত্রনাট্যকারকে। যদিও সেসময়ে সেলিমের শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার নেপথ্যের কারণ জানা যায়নি, তবে পরে জানা যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জন্যই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। প্রথমটায় অস্ত্রোপচারের কথা থাকলেও বুধবার চিকিৎসক জানান, সামান্য ব্রেন হেমারেজের জন্য কোনওরকম অপারেশনের দরকার হয়নি। তবে ভেন্টিলেশনে থাকলেও আপাতত স্থিতিশীল সেলিম খান। কিন্তু বাবার স্বাস্থ্যের খবর হাসপাতাল থেকে এভাবে বাইরে ফাঁস হওয়ায় বেজায় চটেছেন সলমন খান।
সেলিম খান ও সলমন খান, ছবি: সোশাল মিডিয়া।
বলিউড মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সেলিম খানের স্বাস্থ্যের খবর যেন বাইরে না ফাঁস হয়, সলমনের পরিবারের তরফে এমন আর্জিই জানানো হয়েছে লীলাবতী হাসপাতালের ডাক্তারদের। এক্ষেত্রেও পুরোপুরি গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাইছে পরিবার। ভাইজানের ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফৎ খবর, "খান পরিবারের মতে, স্বাস্থ্যের খবর অত্যন্ত ব্যক্তিগত বিষয়। তাই মিডিয়ার সঙ্গে কোনওরকম আপডেট ভাগ করে নেওয়া চলবে না। এই বিষয়টা পুরোপুরি পরিবারের উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। সেলিম খানের স্বাস্থ্য বিষয়ক যাবতীয় খবরাখবর পরিবারের তরফেই ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে। সেই মর্মেই সলমনের পরিবারের তরফে স্পষ্ট হাসপাতালে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আর যেন ভিতরের কোনও খবর বাইরে ফাঁস না করা হয়।"
উল্লেখ্য, ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন ছবিশিকারীদের উপর মেজাজ হারিয়েছিলেন সানি দেওল। সেলেব পাড়ায় কানাঘুষো, হাসপাতালের বাইরে ভিড় জমানো পাপারাজ্জিদের বাড়বাড়ন্তেই নাকি অতিষ্ঠ হয়ে 'হি ম্যান'-এর মৃত্যুর খবর প্রথমটায় বাইরে আনতে চাননি জেষ্ঠপুত্র সানি। যদিও এহেন সিদ্ধান্তের জেরে সেসময়ে বেজায় সমালোচিত হতে হয়েছিল 'দেওল ব্রাদার্স'কে, তবে
কঠিন সময়ে তারকাদের বিড়ম্বনায় ফেলায় একাংশ আবার সমর্থনও করেন সানি-ববিকে। এবার বাবার স্বাস্থ্যের খবর হাসপাতাল থেকে বাইরে বেরনোয় লীলাবতীর চিকিৎসকদের উপর মেজাজ হারালেন সলমন খান।
