সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের চিরকুমার। পঞ্চাশ পেরিয়েও তিনি গ্ল্যামারাস। যেমন অ্যাকশনে কেতাদুরস্থ, তেমনই রোম্যান্টিক অবতারে হিট ভাইজান। যদিও বছরখানেক ধরে বক্স অফিস 'ব্রাত্য' সলমন ম্যাজিক, তবে সুপারস্টারের 'স্টারডমে' কিন্তু বিন্দুমাত্র ভাঁটা পড়েনি। জীবনে প্রেম একাধিকবার এলেও ছাদনাতলা অবধি আর যাওয়া হয়নি সলমন খানের। অতঃপর ৫৯-তেও তিনি বিটাউনের 'মোস্ট এলিজিবল ব্যাচেলর'। কিন্তু কেন একাধিকবার বিচ্ছেদ যন্ত্রণা সইতে হয়েছিল সলমন খানকে? সেই বিষয়ে প্রথমবার কাজল, টুইঙ্কল খান্নার কাছে মনের ঝাঁপি খুললেন ভাইজান।
সলমনের জীবনে 'পোক্ত প্রেম' যে আসেনি, তেমনটা নয়! একবার তো বিয়ের আমন্ত্রণপত্র ছাপাও হয়েগিয়েছিল। শেষমুহূর্তে ভেস্তে যায় সব!সেটা ছিল সঙ্গীতা বিজলানি পর্ব। তার পরও একাধিক নায়িকার সঙ্গে নাম জড়িয়েছে। কখনও সৌমি আলি, কখনও বা ঐশ্বর্য রাই আবার পরে ক্যাটরিনা কাইফ, লুলিয়া ভান্তুরের সঙ্গেও তাঁর প্রেমের খবরে মশগুল হয়েছে বিটাউন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খান পরিবারের বউমা হওয়ার সাহস আর কেউ দেখাননি! বহুবার বিয়ের প্রস্তাব এলেও ফিরিয়েছেন তিনি। নেপথ্যে শোনা যায়, ভাইজানের বদমেজাজই দায়ী। আদৌ কি তাই? এই প্রথমবার ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে ব্যক্তিজীবন নিয়ে অকপট সলমন খান।
'টু মাচ উইদ কাজল অ্যান্ড টুইঙ্কল খান্না' শোয়ে এসে সলমন জানান, "যখন একজন সঙ্গী অন্যজনের তুলনায় বেশি উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখনই সম্পর্কে তারতম্যের শুরুয়াত হয়। কোনও একজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। তাই আমি মনে করি, দুজনেরই একসঙ্গে বড় হওয়া উচিত। কেউ যেন কারও ঘাড়ে নিশ্বাস না ফেলে, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।" এই পর্বে সলমনের সঙ্গে ছিলেন আমির খানও। ভাইজানের মুখে বিচ্ছেদের কথা শুনে প্রতিক্রিয়া গিতে গেলে, তাঁকে থামিয়ে সলমন বলেন, "কোনও সম্পর্ক যদি স্থায়ী না হয়, তো না হবে। কাউকে যদি এর জন্য দোষ দিতেই হয়, তাহলে আমাকে দোষ দিক।" এই শোয়েই টুইঙ্কল-কাজলের মুখোমুখি হয়ে বাবা হওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন বলিউড সুপারস্টার। সলমন জানান, "এক থা টাইগার ছবির সময়ে সত্যিই মনে হয়েছিল, আমার যদি একটা সন্তান থাকত। তবে সন্তান নিতে আমি ইচ্ছুক। কোনও একদিন নিশ্চয়ই বাবা হব। সেটা তাড়াতাড়িও হতে পারে আবার পরেও। তবে এটা ঠিক যে সন্তানের বাবা হবই। দেখা যাক...।"
