শাহরুখ খান, আসমুদ্রহিমাচল তথা বিশ্বের অগণিত অনুরাগীদের কাছে তিনি রোম্যান্স কিং কিংবা মেগাস্টার হলেও ঘনিষ্ঠমহল জানে বাদশা কতটা 'ফ্যামিলি ম্যান'? স্টারডম, কোটি কোটি টাকার ব্যবসা সামলেও যিনি যত্ন করে আগলে রাখেন নিজের পরিবারকে। তাঁর জীবনদর্শন বরাবরই ভক্তদের কাছে ব্যকরণসম। এবার ফের একবার স্ত্রী গৌরী খানের জন্য প্রেমের নির্দশন তৈরি করলেন কিং খান।
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি থাকলেও তারকাদম্পতির কাছে এই আস্তানা বরাবর এক আবেগের ঠিকানা। ভালো'বাসা' বললেও অত্যুক্তি হয় না। কারণ প্রথম তলাটিকে আগেই ঢেলে সাজিয়েছিলেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গৌরী খান। কারণ প্রবেশদ্বারের বাইরের ডাকবাক্স থেকেই বোঝা যাবে এই ঠিকানা কার?
বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিল্লির পঞ্চশীল পার্কের ১, জোরবাগের যে বাড়িটিতে বিয়ের পর প্রথম পা রেখেছিলেন গৌরী, এবার সেই গোটা বাংলোই কিনে ফেললেন বাদশা। যদিও বাড়ির প্রথম তলার মালিকানা বলিউড সুপারস্টারের হাতেই ছিল, তবে এবার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা কিনে গোটা বাংলোর 'মালিক' হলেন কিং খান। আসলে দক্ষিণ দিল্লির এই বাড়িতেই শাহরুখ-গৌরী তাঁদের বিবাহিত জীবন শুরু করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি থাকলেও তারকাদম্পতির কাছে এই আস্তানা বরাবর এক আবেগের ঠিকানা। ভালো'বাসা' বললেও অত্যুক্তি হয় না। কারণ প্রথম তলাটিকে আগেই ঢেলে সাজিয়েছিলেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার গৌরী খান। কারণ প্রবেশদ্বারের বাইরের ডাকবাক্স থেকেই বোঝা যাবে এই ঠিকানা কার? সবুজ বাহারি পাতার গায়ে কালো লোহার ডাকবাক্সে ছোট্ট করে লেখা ‘গৌরী অ্যান্ড শাহরুখ, নয়াদিল্লি’। এবার কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরো বাংলোর মালিক হলেন তারকাদম্পতি।
কত খরচ পড়ল? কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়। জানা গেল, বাড়িটির দুটো তলা কিনতে কিং খানের খরচ পড়েছে মোট ৩৭ কোটি টাকা। যে বাড়িটি কিনা প্রায় ১০,৮০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে রয়েছে। প্রতি বর্গফুটের দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৩৪,২৬০ টাকা। আর পাঁচজনের কাছে হয়তো এই সংখ্যাগুলো শুধু লেনদেনের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে, কিন্তু বাদশা বরাবরই আবেগ, পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
"বাড়িটির প্রথমতলা আমাদের পুরনো স্মৃতি দিয়ে সাজানো। এ বাড়ির আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে আমাদের ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠার গল্প, নস্টালজিয়া।..."
গৌরী একবার জানিয়েছিলেন, "বাড়িটির প্রথমতলা আমাদের পুরনো স্মৃতি দিয়ে সাজানো। এ বাড়ির আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে আমাদের ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠার গল্প, নস্টালজিয়া। বসার ঘরের দেওয়ালে একটা জিনিস ঝোলানো আছে। দেখলে মনে হবে কোনও অ্যান্টিক আর্ট হয়তো। কিন্তু আসলে ওটা আমাদের বাড়ির একটা পুরনো মাটিতে পাতার ছোট্ট গালিচার মতো। ওটাকেই দেওয়াল সাজানোর জন্য ব্যবহার করেছি। এই বাড়ির দেওয়ালে দেওয়ালে এমন অনেক পুরনো জিনিস রয়েছে।" এবার পুরো বাংলোর গৃহসজ্জা কেমন করেন গৌরী খান? কৌতূহলীদের নজর সেদিকে।
