মন ভেঙেছে নোরা ফতেহির (Nora Fatehi)। সবার সামনেই চোখে জল বলিউডের 'আইটেম বম্বে'র। কে মন ভাঙল? উত্তর হল- বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) ফুটবল। নোরার দেশ মরক্কো লড়াই করেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। তারপরই কান্নায় ভেঙে পড়লেন নোরা। গ্যালারিতে পাশে থাকা এক সমর্থক সান্ত্বনা দিলেও চোখের জলে বাঁধ মানেনি। পরে ইনস্টাগ্রামেও মনখারাপের কথা জানালেন মরক্কোর তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমির 'প্রেমিকা'।
এবারের বিশ্বকাপের কালো ঘোড়া হিসেবে ধরা হয়েছিল মরক্কোকে। ব্রাজিলকে টক্কর দিয়েছে, নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে সামনে ছিল অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্স। এমবাপে-দেম্বেলের গোলে ০-২ ব্যবধানে হারে মরক্কো। বস্টন স্টেডিয়ামে প্রথম থেকেই হাজির ছিলেন নোরা। দলের জন্য গলা ফাটাতে দেখা যায় তাঁকে। তবে স্টেডিয়ামে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। যানজটের জন্য শেষ এক কিলোমিটার হেঁটেই যান। এদিকে ম্যাচ শুরুর সময় এগিয়ে আসছে। কী করবেন নোরা? সঙ্গে সঙ্গে ছুট লাগান স্টেডিয়ামের উদ্দেশে। অবশেষে ম্যাচের ঠিক আগে মাঠে ঢুকে যান। তবে শেষটা আর ভালো হল কোথায়? ম্যাচ হেরে অঝোরে কান্না নোরার। পরে ইনস্টাগ্রামে কান্না ও হার্টব্রেকের ইমোজি দেন।
বছরখানেক ধরে নোরার সঙ্গে প্রেম করছেন আশরাফ হাকিমি, এমন গুঞ্জনও শোনা যায়। সেই হাকিমিরা বিশ্বকাপ থেকে বেরিয়ে যেতেই মন ভাঙল নোরার। হাকিমিদের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে 'গর্বিত' লিখেছেন তিনি। এছাড়া মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসির বোনোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নোরা।
মডেল-নায়িকা নিজে চেয়েছিলেন ফুটবলার হতে। কিন্তু শৈশবের সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছে। নোরার ফুটবলপ্রেম নতুন কিছু নয়। এবারের বিশ্বকাপে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে নোরা। ফিফার মিউজিক ভিডিওয় উষ্ণতা ছড়িয়েছেন। পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেন নোরা। ‘সির সির’ গানে ঝড় তোলেন। কিন্তু তাঁর নিজের দেশ শেষ পর্যন্ত যেতে পারল না।
