গোয়েন্দা গল্পের সঙ্গে জমবে গ্রীষ্মের ছুটি। সিনেমায় গোয়েন্দাগিরি বরাবরই আকৃষ্ট করে আম বাঙালিকে। বাংলা ছবির দর্শকের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় নিয়ে আসছেন 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড' ( Phool Pishi O Edward)। বাংলা ছবির দর্শককে গোয়েন্দা গল্পের স্বাদ আস্বাদনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পরিচালকদ্বয়। পয়লা বৈশাখের প্রাক্কালে প্রকাশ্যে এসেছে রহস্যে মোড়া ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’-এর টিজার। দর্শকের উত্তেজনা জিইয়ে রেখে রবিবাসরীয় সকালে উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার আরও এক চমক। রাজবেশে ধরা দিলেন অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায় (Saheb Chatterjee)। রাজকীয় ঢঙে রাজসিংহাসনে বিরাজমান যোগেন্দ্রর নজরকাড়া পোস্টার।
অলিভ সবুজ কুর্তার সঙ্গে সাদা ধুতি পরিহিত সাহেবের লুকে একশো শতাংশ সাহেবিয়ানার ছোঁয়া সে কথা বললে অত্যুক্তি হবে না। যোগেন্দ্র চরিত্রে একদিকে যেমন রয়েছে পুরুষালি সৌন্দর্য তেমনই স্পষ্ট ক্ষমতার ছাপ। যোগেন্দ্র চরিত্রের আভিজাত্যকে আরও একটু তোল্লাই দিয়েছে তাঁর গলার চেন, হাতের আংটি এবং ক্লাসিক কালো জুতো। 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’এ যোগেন্দ্র যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র সে কথা বলার অবকাশই রাখছে না।
সাহেব বলেন, "গোত্রতে কাজের অভিজ্ঞতা এতটাই ভালো আর অসাধারণ ছিল যে পরে আবার আমি শিবুদাকে বলেছিলাম ফের যদি সুযোগ আসে। তারপরই ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’।"
স্থির ভঙ্গি, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি আর ভিনটেজ আবহে সাজানো পটভূমির মিশেলে সাহেব যেন নীরব আধিপত্যে গড়া এক চরিত্র! ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’এ সাহেবের ব্যক্তিত্ব দর্শকের উন্মাদনা উসকে দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। যোগেন্দ্র চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগে আল্পুত সাহেব। কীভাবে এই চরিত্রের প্রস্তাব এসেছিল তাঁর কাছে?
এই প্রসঙ্গে সাহেবের সংযোজন, "শিবুদা নন্দিতাদির সঙ্গে বহুদিনের পরিচয়। ২০০১ থেকে অভিনয় জার্নি শুরু, সেই হিসেবে ২০২৬এ আমার কেরিয়ারের সিলভার জুবলি। ইন্ডাস্ট্রিতে বহু অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। কেরিয়ারের শুরুতেই নন্দিতাদির সঙ্গে আলাপ। উইন্ডোজের একটা প্রজেক্টে একইসঙ্গে নায়ক আর প্লেব্যাক সিঙ্গারের কাজ করেছিলাম। প্রথম আলাপেই এতটা আন্তরিকতা ছিল, ঠিক একজন দিদির মতো।"
পরিচালক-অভিনেতার যুগলবন্দি
আরও বলেন, "কারও কাজে মুখ ফুটে আমি খুব কমই কাজ চাই। কিন্তু, ওঁদের সঙ্গে কাজের ইচ্ছেপ্রকাশটা না করে পারিনি। নন্দিতাকে বলার পরই আমার কাছে গোত্রর প্রস্তাব আসে। তারপর আবার অনেকটা বিরতি। গোত্রতে কাজের অভিজ্ঞতা এতটাই ভালো আর অসাধারণ ছিল যে পরে আবার আমি শিবুদাকে বলেছিলাম ফের যদি সুযোগ আসে। তারপরই ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’। আমি উইন্ডোজ থেকে শিখেছি কীভাবে একটা কাজকে যাপন করতে হয়। সব গল্পই ইউনিক আর স্বতন্ত্র। তাই ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’এর সুযোগ হাতছাড়া করিনি।"
