'কহো না প্যায়ার' হ্যায় ছবির মাধ্যমে লাইমলাইট ছিনিয়ে নিয়েছিলেন আমিশা প্যাটেল। প্রথম ছবিতেই বাজিমাত। এরপর বেশ কয়েকটি হিট ছবিতে আমিশার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। আমিশাকে শেষ দেখা গিয়েছে 'গদর টু'তে। বড় পর্দায় খুব একটা আনাগোনা না থাকলেও আমিশার একটা বিরাট ফ্যানবেস রয়েছে। অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের খুটিনাটি জানতে আগ্রহী অনুরাগীরা। তিনি কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সেই প্রশ্নবাণে তো জর্জরিত আমিশা। লাইভে এসে কোনওরকম বিরক্তি প্রকাশ না করেই ভক্তদের সেই উত্তরও দেন। এবার পরিবারের সিক্রেট নিজেই ফাঁস করলেন আমিশা।
প্যাটেল পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। আমিশার জন্মের পর প্রথম যিনি দেখেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ইন্দিরা গান্ধী। সম্প্রতি বলিউডের এক সংবাদমধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে 'গদর' নায়িকা বলেন, "ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আমার জন্মের পর প্রথম যিনি দেখতে আসেন তিনি ইন্দিরা গান্ধী।"
আমিশা বলেন, "ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আমার জন্মের পর প্রথম যিনি দেখতে আসেন তিনি ইন্দিরা গান্ধী। এই সম্পর্ক হঠাৎ করে তৈরি হয়নি বরং পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংযোগের ফল। বাবা-মায়ের বিয়ের ক্ষেত্রেও ইন্দিরা গান্ধী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।"
এই সম্পর্ক হঠাৎ করে তৈরি হয়নি বরং পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংযোগের ফল। বাবা-মায়ের বিয়ের ক্ষেত্রেও ইন্দিরা গান্ধী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমিশা বলেন, "ইন্দিরা গান্ধীই আমার বাবা-মায়ের বিয়ের তারিখ ঠিক করেছিলেন। তাঁদের কুণ্ডলী দেখে বিয়ে ঠিক হয়নি। দাদু তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ইন্দিরা, তুমি কবে ফাঁকা? তিনি বলেছিলেন, রাজনী, আমি ৪ঠা জুলাই ফাঁকা। সেই অনুযায়ী তাজমহল প্যালেসে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়।"
পারিবারিক সিক্রেট শেয়ার করলেন আমিশা
দাদু ব্যারিস্টার রাজনী প্যাটেলের রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে গিয়ে বলেন, "আমার দাদু রাজনী প্যাটেল বিখ্যাত ব্যারিস্টার ছিলেন। পরে তিনি রাজনীতিতে আসেন। তাঁর শৈশবের মেন্টর ছিলেন জওহরলাল নেহরু। রাজনীতিতে যোগ দিয়ে প্রথমে তিনি কমিউনিস্ট পার্টিতে ছিলেন পরে কংগ্রেসে যোগ দেন।"
জন্মের পর প্রথম কে দেখতে এসেছিলেন আমিশাকে?
আরও বলেন, "কংগ্রেসে থাকাকালীন তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি ছিলেন তাঁর প্রধান উপদেষ্টা। কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ এবং সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইন্দিরা গান্ধী কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার দাদুর সঙ্গে আলোচনা করতেন। আমাদের পরিবার রাজনৈতিকভাবে খুবই সক্রিয়।"
