কঠিন সময়ের মাঝেই 'মায়া সত্য ভ্রম'-এর প্রচারে সোহম মজুমদার। ব্যক্তিগতজীবন, সিনেমা নিয়ে কী বললেন অভিনেতা?
এখন কেমন আছেন?
- অনেকটা ভালো। হাঁটাচলা, কাজকর্ম সবই করতে পারছি। মাকে একটু সামলাতে হচ্ছে, মায়ের অনেকটা ধকল গেছে। শুধু আমার হার্নিয়া অপারেশন তো নয়, পর পর কতগুলো ঘটনা ঘটে গেল। দাদু মারা গেলেন, ঠাকুমা অত্যন্ত অসুস্থ হলেন, আমাদের পনেরো বছরের রাঁধুনি মাত্র ৪৫ বছরে চলে গেলেন। মা যে দুঃখটা অনুভব করবে সেই সময়টুকুও পায়নি।
ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমাজমাধ্যমে আপনি সচরাচর লেখেন না, এবার দেখলাম লিখলেন।
- ঠিকই। নিজের অ্যাচিভমেন্ট, কাজ নিয়ে লিখেছি আগে। তবে ব্যক্তিগত জীবনে এরকম পরিস্থিতিতেও পড়িনি আগে। বম্বেতে একটা কাজে ছিলাম, যেদিন ফেরার কথা সেদিনই দাদু মারা যান। দাদুর মৎস্যমুখীর দিনই আমার হার্নিয়ার বিষয়টা ডায়াগোনজড হয়। ঠাকুমার ডায়ালিসিস হয়, সব পর পর। তারই প্রকাশ ওই লেখাটা। ২০১৭-২০১৮ সালে এরকম একবার হয়েছিল, তখন আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ছিলাম না।
এখন কীসের শুটিংয়ে ছিলেন? আর কোনটা শুরু হবে বলছিলেন?
- ‘মায়া সত্য ভ্রম’ রিলিজ ২৮ আগস্ট, তারই প্রোমোশনের কাজে ছিলাম। সেপ্টেম্বরে খুবই এক্সাইটিং একটা শুটিং করব। অঞ্জন দত্ত-র বিখ্যাত অডিও প্লে ‘প্রিয় বন্ধু’ ওয়েব সিরিজ ফরম্যাটে আসবে। সেই অর্ণব এবং জয়িতার গল্পে আমি ‘অর্ণব’ চরিত্রটা করছি। বাংলা জি ফাইভের জন্য। সদ্য প্রোমো এসেছে।
অনেকে তো এটাও দেখে– ‘সোহমদা কোথা থেকে তুমি কোথায় উঠে গেলে’! তাদের জন্য আমাকে মনে রাখতে হবে, আমাকে দেখেও কেউ অনুপ্রাণিত হয়। মনে করি, কোনওটাই স্প্রিন্ট রেস নয়, পুরোটাই ম্যারাথন।
শমীক রায়চৌধুরির ‘মায়া সত্য ভ্রম’ বেশ অন্যরকমের ঝলকেই স্পষ্ট। আপনি পুলিশের চরিত্রে। ছবিটায় ‘হ্যাঁ’ বলার কারণ কী?
- গল্পটা শুনে ভালো লাগলে, তবেই সেই ছবিটার অংশ হতে চেয়েছি। গল্প না শুনেও অনেক সময় ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে গেলে, দেখেছি সেই শুটিংয়ের সেটে গিয়েও খুব যে মজা পাই তা নয়। এই প্রোজেক্টের ক্ষেত্রে ওয়ার্কশপ হয়েছে, ফলে চিত্রনাট্যের অনেকটা ভিতরে যাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে শমীক রায়চৌধুরির কনভিকশন এবং ন্যারেশনের জন্যই রাজি হয়েছি। আমি তখন বম্বেতে, শমীক কলকাতায়। ও জুম কলে পুরোটা ন্যারেট করেছিল, আমার দারুণ লেগেছিল। এটা খুবই ব্যক্তিগত গল্প, তার সঙ্গে অনেক কিছুই কাল্পনিক। একটা পার্ট শমীকের খুব পার্সোনাল। আমার চরিত্র ‘সঞ্জয়’ সেই পার্সোনাল দিকটা খোঁজার চেষ্টা করেছে।
সোহম মজুমদার
যতদূর জানি গল্পে দু’জনের অন্তর্ধানের পরে তদন্তে নামছে আপনার চরিত্র।
