ফুকেতের সৈকতে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের পর শহরে ফিরেছেন সোনাক্ষী সিনহা (Sonakshi Sinha) ও জাহির ইকবাল। সোমবার রাতে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা, মা ও স্বামী জাহিরের সঙ্গে নৈশভোজে গিয়েছিলেন 'দাবাং গার্ল'। মুম্বইয়ের রেস্তরাঁয় সোনাক্ষীদের দেখে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গমায় এগিয়ে এসেছেন সেলেব পাপারাজ্জিরা। লাগাতার ক্যামেরায় ফ্ল্যাশে মেজাজ হারান শত্রুঘ্নকন্যা।
নৈশভোজ সেরে বেরনোর সময় রেস্তরাঁর বাইরে উপস্থিত পাপারাজ্জিরা তাঁদের ঘিরে ধরে ছবি ও ভিডিও তুলতে শুরু করেন। এই ঘটনায় অত্যন্ত বিরক্ত হন সোনাক্ষী। প্রথম কয়েক সেকেণ্ড হাসিমুখে তাকালেও মুহূর্তে ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। করজোড়ে বলে ওঠেন, 'ব্যাস, গাইজ। থ্যাঙ্ক ইউ। গুড নাইট!' যার বাংলা তর্জমা করলে হয়, 'অনেক হয়েছে। ধন্যবাদ, শুভরাত্রি।'
পারিবারিক নৈশভোজে সোনাক্ষী
এরপরও ছবি ভিডিও তোলা থেকে বিরত হননি প্যাপেরা। এবার খানিকটা সুর চড়িয়ে সোনাক্ষীর সংযোজন, "গাইজ হো গ্যায়া। হো গ্যায়া। ব্যাস। থ্যাঙ্ক ইউ।" অর্থাৎ, 'এবার হয়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ।' এরপর গাড়িতে উঠে বাড়ির পথে রওনা দেন তাঁরা। সমাজমাধ্যমে এই ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল।
বাড়ি ফেরার পথে
প্রসঙ্গত, সোনাক্ষী কিন্তু পাপারাজ্জিদের আবদার রক্ষা করেন। তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী হাসিমুখে পোজও দেন। সোমরাতে পারিবারিক সময় কাটানোর মাঝে ছবিশিকারীদের বাড়বাড়ন্ত পছন্দ করছিলেন না বলেই মনে করেছে সোশালপাড়া। সম্ভবত, সেই কারণেই বারণ সত্ত্বেও ক্যামেরার ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে বিরক্ত হয়েছিলেন জাহির ঘরনি।
মায়ানগরীর প্রতিটি কোনেই সেলেব পাপারাজ্জিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। রেস্তরাঁ থেকে বিমানবন্দর বাদ যায় না কোনও জায়গাই। তাই গভীর রাত হোক বা কাকভোর, লেন্সবন্দি হয় সেলিব্রিটিদের প্রতিটি পদক্ষেপ। ২০১০ সালে সলমনের বিপরীতে 'দাবাং' ছবিতে রুপোলি পর্দায় রাখেন সোনাক্ষী।
দ্রুতই তিনি সকলের মন জিতে নেন। 'রাউডি রাঠোর' (২০১২) এবং 'দাবাং ২' (২০১২)-র মতো ছবিও বাণিজ্যসফল হয়েছে। পরবর্তী সময়ে 'লুটেরা' (২০১৩) ছবিতে তাঁর অভিনয় সমালোচকদের মন জিতে নেয়। ২০২৪ সালের ২৩ জুন, দুই পরিবারকে সাক্ষী রেখে আইনি মতে বিয়ে করেন সোনাক্ষী ও জাহির।
রাগান্বিত সোনাক্ষী
তাঁদের ভিনধর্মী বিয়ে নিয়ে কম চর্চা হয়নি। অনেকেই রে রে করে এসেছেন তাঁদের। আবার কেউ কেউ তাঁদের শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দেন। তবে নেটপাড়ার নীতিপুলিশদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ‘মিঞা-বিবি’ দিব্যি সুখের ঘরকন্না পেতেছেন।
