ভরা কনসার্টে সুনিধি চৌহানের চোখে জল। মাস দুয়েক ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠান শুরু করেছেন গায়িকা। সেই মিউজিক সফরেরই অন্যতম ইভেন্ট ছিল লখনউতে। সেখানেই ভরা মঞ্চে গান গাইতে গিয়ে গলা বুজে আসে সুনিধির। গায়িকা তখন মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে, শ্রোতা-দর্শকের কাছে ক্ষমা চেয়ে মঞ্চেই ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেন।
গায়িকার মন্তব্য, "হে ঈশ্বর, আগে আমার সঙ্গে এমন কখনও ঘটেনি। খুবই অস্বস্তিকর। আমি দুঃখিত। আমি যখনই গান গাই তখনই নিজের একশো শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু...।"
সুনিধি চৌহান, ছবি- ইনস্টাগ্রাম
সুনিধি চৌহান জানিয়েছেন, আগে কখনও তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেনি। এইপ্রথমবার লাইভ শোয়ে এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি তিনি। ঠিক কী ঘটেছে লখনউয়ের কনসার্টে, যার জন্যে মঞ্চেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন সুনিধি? গায়িকার মন্তব্য, "হে ঈশ্বর, আগে আমার সঙ্গে এমন কখনও ঘটেনি। খুবই অস্বস্তিকর। আমি দুঃখিত। আমি যখনই গান গাই তখনই নিজের একশো শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু...।" এরপরই অনুরাগীদের উদ্দেশে সুনিধি বলেন, "আমি জানি, আপনারা আমার সঙ্গেই রয়েছেন। আমিও গান গেয়ে যেতে চাই। তবে দুর্ভাগ্য আমি চেষ্টা করেও গাইতে পারছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমার পাশে থাকার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।" কিন্তু কেন কনসার্টে গাইতে পারলেন না সুনিধি চৌহান? গায়িকা জানিয়েছেন, "আসলে আমার গলার অবস্থা একেবারেই ভালো নয়। সাংঘাতিক খারাপ পরিস্থিতি।" লখনউয়ের কনসার্টে সেকথা বলতে গিয়েই দর্শকের সামনে ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেন সুনিধি চৌহান।
বোল্ড, বিউটিফুল অ্যান্ড মিউজিক্যাল, একথা সুনিধি চৌহানের ক্ষেত্রে একেবারে অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায়। 'ধুম মাচা লে', 'দেশি গার্ল', 'কামলি', 'ক্রেজি কিয়া রে' থেকে 'শীলা কি জওয়ানি'র মতো বহু হিট গান উপহার দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি সুনিধির অনুরাগ। শোনা যায়, সিডি-ক্যাসেট শুনে রোজ রেওয়াজ করতেন শিল্পী। মাত্র চার বয়সেই তাঁর মঞ্চে হাতেখড়ি। তাই এবার মঞ্চে দাঁড়িয়ে গান না গাইতে পারার আক্ষেপে কেঁদেই ফেললেন সুনিধি চৌহান।
