গত চার দশক ধরে বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রির 'জ্যেষ্ঠপুত্রে'র দায়িত্ব সামলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সেই অবদানের কথা মাথায় রেখে টলি সুপারস্টারকে জানানো হয়েছে সম্মাননা। চলতি বছরের সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ঘোষিত হয় তাঁর পদ্ম পুরস্কার প্রাপ্তির খবর। যা বাংলা সিনে দুনিয়ায় অন্য মাত্রা যোগ করেছে। আর যাঁর হাত ধরে এই প্রাপ্তি টলিউডের সেই অগ্রজ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বাড়িতে শুভেচ্ছা জানালেন নুসরত জাহান ও যশ দাশগুপ্ত।
রবিবার দুপুরে সুপারস্টারের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন টলি ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় জুটি। শুভেচ্ছাস্বরূপ নিয়ে গিয়েছিলেন বুম্বাদার জন্য উপহারের ডালি। শুধু তাই নয়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তোলা ছবি নিজেদের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ভাগ করে নিয়েছেন নুসরত ও যশ। উপহারের ডালি হাতে দুই অনুজের সঙ্গে 'ইন্ডাস্ট্রি'ও হাসিমুখে পোজ দিয়েছেন। সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে এপ্রসঙ্গে নুসরত বলেন, 'বুম্বাদা আমাদের গর্ব। তিনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কাণ্ডারি ও পথপ্রদর্শক। তাঁকে নিয়ে যা বলব সবটাই কম পড়বে। তাঁর এই সম্মানপ্রাপ্তির পর যে পার্টি হয়েছিল তাতে আমরা যোগ দিতে পারিনি। তাই এদিন তাঁর এই সম্মানপ্রাপ্তি উদযাপন করতেই পৌঁছে গিয়েছিলাম তাঁর কাছে।"
যশ দাশগুপ্ত ও নুসরত জাহান। ছবি: সোশাল মিডিয়া।
একটা সময় বাংলা ছবির দুঃসময়ে প্রায় সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধেই তুলে নিয়েছিলেন ‘বুম্বা’। তাঁর হাত ধরেই গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিল কমার্শিয়াল ছবি। গোটা ফিল্মি কেরিয়ারে অভিনয় করেছেন প্রায় সাড়ে তিনশোর বেশি ছবিতে। ১৯৬৮ সালে বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসা’ ছবিতে প্রথম শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে হাতেখড়ি। বাংলা ছবির হিরো হিসেবে তিনি ধরা দেন ‘অমরসঙ্গী’ ছবির হাত ধরে। নিভৃতে নানা ক্ষেত্রে দেশসেবায় নিয়োজিত ১৩১ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে রবিবার সন্ধ্যায়। আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে তাঁদের হাতে ২০২৬ সালের পদ্ম সম্মান তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
