shono
Advertisement
ODI World Cup

বড় দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগই নেই! বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সহযোগী দেশগুলি

আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে নতুন ফরম্যাট ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। তবে তার জন্য বিস্তর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে জয় শাহর আইসিসিকে।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 04:26 PM Jul 18, 2026Updated: 04:31 PM Jul 18, 2026

আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে নতুন ফরম্যাট ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। তবে তার জন্য বিস্তর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে জয় শাহর আইসিসিকে। নতুন কাঠামোয় ১৪টি দল বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেও মূল পর্বে সরাসরি খেলতে পারবে না সবাই। যোগ্যতা অর্জনকারী সর্বনিম্ন র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন দলকে খেলতে হবে 'সুপার সিরিজ'। সেখান থেকে মাত্র একটি দল মূল পর্বে সুযোগ পাবে। এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস, নামিবিয়ার জেরহার্ড ইরাসমাস ও স্কটল্যান্ডের রিচি বেরিংটনরা।

Advertisement

ডাচ অধিনায়ক এডওয়ার্ডস বলেন, "যে কোনও দেশই চায় ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে। সেখানে সুযোগ পাওয়াটা সত্যিই বড় সাফল্য। বছরের পর বছর পরিকল্পনা করার পর সেই সুযোগ পাওয়া যায়। তবে শেষ পর্যন্ত এর বাস্তবতা বদলে যাওয়াটা অত্যন্ত হতাশাজনক। আইসিসি বিশ্বজুড়ে ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত সহযোগী দেশগুলোর জন্য বিশ্বের সেরাদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ আরও কঠিন করে তোলে।" তাঁর মতে, শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগই নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। তাই ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী মঞ্চে আরও বেশি সুযোগ বাড়ানো উচিত, কমানো নয়।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটের সমালোচনা করেছেন স্কট এডওয়ার্ডস ও রিচি বেরিংটন। ছবি সংগৃহীত।

একই সুরে কথা বলেছেন নামিবিয়ার অধিনায়ক জেরহার্ড ইরাসমাস। তাঁর মন্তব্য, "সহযোগী দেশগুলোর ক্রিকেটারদের কাছে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপই দীর্ঘ সংস্করণের সর্বোচ্চ মঞ্চ। যারা যোগ্যতা অর্জন করবে, তাদের সামনে নতুন করে বাধা তৈরি করা উচিত নয়।" স্কটল্যান্ড অধিনায়ক রিচি বেরিংটন আইসিসির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, "প্রতিটি সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়রা নেবেন, এমন আশা করি না। তবে যেসব সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের কেরিয়ারে প্রভাব ফেলে, সেখানে আমাদের পরামর্শও নেওয়া উচিত। ভিন্ন মতামত থাকলে সিদ্ধান্তও আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।"

সহযোগী দেশগুলোর এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনও। তাদের দাবি, সহযোগী দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেওয়া ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে। পরের বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়ায় হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। নতুন ফরম্যাটে সর্বনিম্ন র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন দল প্রথমে 'সুপার সিরিজ'-এ খেলবে। সেখান থেকে একটি দল মূল পর্বে উঠে বাকি ১২ দলের সঙ্গে মোট ১৩ দলকে নিয়ে দু'টি গ্রুপে লড়াই হবে। এরপর শুরু হবে নতুন 'সুপার সেভেন' পর্ব। সেখান থেকে চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। পুরো আসরে ম্যাচ হবে ৫৭টি।

তবে সহযোগী দেশগুলোর আশঙ্কা, এই নতুন কাঠামো তাদের জন্য বিশ্বকাপে খেলার পথ আরও কঠিন করে তুলবে। একই সঙ্গে কমে যেতে পারে শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ। তেমনটা হলে উদীয়মান দেশগুলির ক্রিকেট উন্নয়নে বাধা তৈরি হবে। যা তাদের আন্তর্জাতিক পরিচিতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement