নিজেদের গোয়ার্তুমির জন্য বিশ্বকাপে খেলা হয়নি বাংলাদেশের। বয়কট প্রসঙ্গে বাংলাদেশের তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, নতুন সরকার এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হত। পদ্মাপারে নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আমিনুল হক। আর দায়িত্ব নিয়েই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার কাজ শুরু করলেন আমিনুল।
মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর ভারতে বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ। আইসিসি'র একাধিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরেনি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মনে করা হচ্ছে, যেহেতু তখন বাংলাদেশে নির্বাচন আসন্ন ছিল, তার ফায়দা তুলতে 'ভারতবিদ্বেষী' মনোভাব জিইয়ে রাখা হচ্ছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর ক্রিকেটীয় ইস্যুতে ভারতের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ।
সেদেশের ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক আমিনুল মঙ্গলবার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তারপর তিনি জানান, "শপথ গ্রহণের পর আমি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। সেখানে তাঁর সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কথা হয়। আমি তাঁকে বলেছি আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে সমাধান করতে চাই। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। খেলার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চাই।’
সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট সফর ছিল। তা আপাতত স্থগিত আছে। ভারত না গেলে যে আর্থিক ক্ষতি, তা ভালোভাবেই জানে বাংলাদেশ। আরও একটি বিষয় হল, নির্বাচনের আগে মূলত পাকিস্তানের মুখাপেক্ষী ছিল তৎকালীন সরকার। এখন দায়িত্ব নিতেই যেভাবে ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আমিনুলকে ভারতকে কাছে টানছেন, তা নতুন সরকারের অবস্থান বলে মনে করা হচ্ছে। আমিনুল আগের সরকারকে কার্যত দায়ী করে বলছেন, "কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা এই বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি। যদি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হত ও আগেই সমাধান করা যেত, আমাদের দল হয়তো বিশ্বকাপে খেলত।"
