টেস্ট ইতিহাসে ঘরের মাঠে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। ঘরের মাঠে জোড়া সিরিজে চুনকাম। ৬৬ বছরে প্রথমবার ৭ ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে হার। এতো লজ্জার পরও গৌতম গম্ভীরের উপর থেকে আস্থা হারাচ্ছে না বিসিসিআই। তিরস্কার নয়, বরং এবার পুরস্কার পেতে চলেছেন ভারতীয় দলের হেডকোচ। অবশ্য সেটার জন্য একটা শর্ত আছে, সেটা হল টি-২০ বিশ্বকাপ জিততে হবে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ভারতীয় বোর্ড মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে টিম ইন্ডিয়া যদি টি-২০ বিশ্বকাপ জিততে পারে তাহলে পুরস্কার হিসাবে হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের মেয়াদ আরও একবছর বাড়িয়ে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে ২০২৮ অলিম্পিক পর্যন্ত তিনিই ভারতীয় দলের দায়িত্বে থাকবেন। আসলে টেস্ট বা ওয়ানডে-তে সেভাবে সফল না হলেও ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরম্যাটে গম্ভীর চূড়ান্ত সফল। এরপর টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জিতলে একটা পুরস্কার তাঁর পাওয়া উচিত বলেই মনে করছে বিসিসিআই। সেটাই হবে চুক্তির মেয়াদবৃদ্ধি।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, হেডকোচের উপর থেকে এখনই আস্থা হারাচ্ছে না বিসিসিআই। বোর্ড সূত্রের খবর, ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত গম্ভীরের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে বোর্ডের। ফলে এখনই তাঁকে সরানোর কথা ভাবা হচ্ছে না। বরং বিসিসিআই তাঁকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষে। বোর্ড কর্তারা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রকে জানিয়েছেন, টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ নতুন করে দলটাকে তৈরি করার চেষ্টা করছেন আগামী দিনের জন্য। তাই তাঁকে সময় দেওয়া হবে। তিনি যেভাবে চাইবেন, দল সেভাবেই চলবে। ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতলেই তাঁকে অতিরিক্ত এক বছরের জন্য কোচের পদে রাখা হবে।
আসলে ২০২৮ সালে অলিম্পিক। প্রায় ৩ দশক পরে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে ফিরছে ক্রিকেট। বিসিসিআই চাইছে, ওই অলিম্পিকে যে কোনও মূল্যে সোনা জিততে। যেহেতু গম্ভীর দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত, তাই তাঁর হাতে গড়া টিমই ওই অলিম্পিকে পাঠানো হবে। সেকারণেই কোচের পদে রেখে দেওয়া হতে পারে গম্ভীরকে। সবটাই অবশ্য নির্ভর করছে টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের উপর। চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলে পুরো পরিস্থিতিটাই ঘুরে যেতে পারে।
