জাতীয় নির্বাচকপ্রধান পদ থেকে এখনই সরতে হচ্ছে না অজিত আগরকরকে। মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচকপ্রধানকে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে রেখে দিতে চায় বিসিসিআই। বোর্ড সূত্রের খবর, নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান হিসাবে আগররকরের ভূমিকায় খুশি ভারতীয় বোর্ড।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচক হন আগরকর। খানিক বিরূপ পরিস্থিতিতেই। চেতন শর্মাকে বিতর্কিত কারণে সরানোর পরা আগরকরকে আনা হয়। তাঁর প্রথম বড় দায়িত্ব ছিল ২০২৩ বিশ্বকাপের দল বাছা। এরপর তিনি সব মিলিয়ে মোট চারটি আইসিসি ট্রফির দল বেছেছেন। এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়নও ভারত। আবার গোটা দুই এশিয়া কাপও জিতেছে টিম ইন্ডিয়া।
আগরকরের আমলে একটা মাত্র আইসিসি ট্রফিতে ভারত ‘ব্যর্থ’ হয়েছে। সেটা ২০২৩। সেবারও টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ। অর্থাৎ নিজের সময়কালে চারটি আইসিসি ট্রফির ৩টিই দলকে জিতেছেন আগরকর। অপরটিতে টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ। এবার ওয়ানডে বিশ্বকাপও জেতানোর সুযোগ পাবেন তিনি। এমনিতে নির্বাচকপ্রধান হিসাবে আগরকরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল এবছর জুন মাসে। তিনি আবেদন করেছিলেন, আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত সেই মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হোক। বোর্ড সূত্রের খবর, সেই অনুরোধ মেনে নেওয়া হচ্ছে। জুন মাসের পর আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানো হবে আগরকরের। ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত তিনিই নির্বাচক প্রধান থাকবেন।
এমনিতে ভারতীয় ক্রিকেট নির্বাচক হিসাবে দিলীপ বেঙ্গসরকার, কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তের মতো কিংবদন্তিদের দেখেছে। এদের তুলনায় লো প্রোফাইল হলেও আগরকরের ক্রিকেটীয় অর্জন কম কিছু নয়। তিনটি আইসিসি ট্রফি জেতানোর পাশাপাশি দলে একটি বড়সড় ট্রানজিশন হয়ে গিয়েছে। গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদব, শুভমান গিলদের হাত ধরে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। দুটি ফরম্যাটে বিরাট-রোহিত নির্ভরতা ঘুচিয়ে টিম গেম খেলছে টিম ইন্ডিয়া। আগামী দিনে ওয়ানডে-তেও সে পথেই হাঁটতে পারেন আগরকর।
