ইতিহাস গড়ে প্রথমবার রনজি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। এ হেন সাফল্যের অন্যতম কাণ্ডারি আকিব নবি। ফাইনালে ৫৪ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। সব মিলিয়ে উইকেট সংখ্যা ৬০। তৃতীয় পেসার হিসেবে এক মরশুমে এত উইকেট তোলার নজির গড়লেন তিনি। নজির গড়া আকিবকে (Aqib Nabi) টিম ইন্ডিয়ায় দেখতে মুখিয়ে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। জাতীয় দলে তাঁর কি শিকে ছিঁড়বে? নীরবতা ভাঙলেন বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাস।
জম্মু-কাশ্মীরে ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ায় বড় অবদান রয়েছে মিঠুনেরও বর্তমান বিসিবিআই সভাপতি কিছুদিন আগেও জেকেসিএ-র পরিচালন কমিটিতে ছিলেন। ট্যালেন্ট হান্টের মতো পদক্ষেপ অনেকটাই তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত। সঙ্গে আরও নানাবিধ উদ্যোগ। তাছাড়াও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতেন এই রাজ্যের হয়েই। আকিব নবির পারফরম্যান্স যে ভারতীয় নির্বাচকদের নজরে রয়েছে, সে কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর আশা, আকিব ভারতীয় দলে সুযোগ পাবেন।
কী বলছেন বিসিসিআই সভাপতি? "ও নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। দারুণ ছন্দেও রয়েছে। কেবল এই মরশুমেই নয়, গত মরশুমেও অসাধারণ ফর্মে ছিল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেই যে এমন পারফর্ম করছে তা নয়, অন্যান্য ফরম্যাটেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আমি নিশ্চিত, এর প্রতিদান ও পাবে। নির্বাচকরা আকিবের উপর কড়া নজর রাখছেন। আশা করি, জাতীয় দলে ও সুযোগ পাবে।"
রনজিতে ১০ ম্যাচে তাঁর গড় মাত্র ১২.৫৬। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ১৫টি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। গড় ছিল মাত্র ১৩.২৬। ইকোনমি রেট ৭.৪১। সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৪/১৬। বিজয় হাজারে ট্রফিতেও ৭ ম্যাচে ১৪ উইকেট নিয়েছিলেন। গড় ২২.৮৫। ইকোনমি রেট ৫.৭৬। সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৪/৫২। এবার দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ৮.৪ কোটি টাকায় কিনে নিয়েছে। কেন কিনেছে, তা বারবার বোঝাচ্ছেন আকিব। এবার ভারতীয় দলে কি তাঁকে দেখা যাবে? সময়ই এর উত্তর দেবে।
