রোহিত শর্মাকে কি অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে? তাঁকে আর দলে রাখা হবে না, সেটা কি বলে দেওয়া হয়েছে? আর যদি সেটা হয়েও থাকে, সেই খবর সংবাদমাধ্যমের হাতে পৌঁছে গেল কী করে? রোহিত শর্মার মতো তারকার অবসর নিয়ে এত কাটাছেঁড়া কীসের? সূত্রের খবর, হাজারো প্রশ্নের এই পুরো পর্ব নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ বিসিসিআই। বোর্ড কর্তারা নাকি এতটাই বিরক্ত যে রোহিতের অবসর পর্ব নিয়ে নির্বাচকদের কড়া বার্তা দিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, যেভাবে রোহিতকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেটে বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে, সেটা মোটেই পছন্দ নয় বিসিসিআইয়ের। বোর্ড কর্তারা বুঝতেই চাইছেন না, কীভাবে দলের অন্দরের খবর বাইরে যাচ্ছে। সূত্রের দাবি, বিসিসিআই নির্বাচকদের জানিয়ে দিয়েছে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনওভাবেই কথা বলা যাবে না। সাক্ষাৎকার বা মন্তব্য তো দূর, ঘরোয়া আলোচনাতেও যেন দলের অন্দরের খবর বাইরে না যায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। আসলে যেভাবে রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেটা না পসন্দ বোর্ডের।
বস্তুত, গত দু'দিন ধরে সংবাদমাধ্যমে আলোচনা চলছে যে রবিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষবারের জন্য মাঠে নামছেন রোহিত। পরের সিরিজ থেকে তাঁকে আর দলে রাখা হবে না। সেই জল্পনা খারিজ করতে আসরে নামতে হয়েছে খোদ বোর্ড সচিব দেবজিত সাইকিয়াকে। তিনি বলে দিয়েছেন, “রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রচুর জলঘোলা চলছে। আমি নিশ্চিত করে জানাতে চাই, রোহিত রবিবার লর্ডসে শেষ ম্যাচ খেলবে, এরকম কোনও আলোচনা বোর্ডের অন্দরে হয়নি।” তাঁর সংযোজন, “রোহিত ভারতের ওয়ানডে দলের নিয়মিত সদস্য। যতদিন ও দলের পরিকল্পনায় আছে, ততদিন দেশের হয়ে খেলবে। সোজা কথা হল, লর্ডসে রোহিত শেষ ওয়ানডে খেলছে না।”
তবে সূত্রের খবর, নির্বাচকদের তরফ থেকে নাকি রোহিতকে সত্যিই বলা হয়েছে ইংল্যান্ড সিরিজের পর তাঁকে আর খেলানো হবে না। তারপর হিটম্যান নিজেই বিসিসিআইয়ের দ্বারস্থ হন। বোর্ড কর্তারা অবশ্য তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন, এখনই তাঁকে অবসরের জন্য চাপ দেওয়া হবে না।
