shono
Advertisement
Vande Mataram

‘বন্দে মাতরমের’ অপমান শাস্তি, হতে পারে কারাদণ্ড, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে তৈরি হল আইন!

গত ২৯ জুলাই রাজ্যসভায় পাশ হয় জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬। দু'দিন পর লোকসভাতেও পাশ হয়ে যায় বিলটি।
Published By: Kishore GhoshPosted: 08:57 PM Aug 11, 2026Updated: 08:57 PM Aug 11, 2026

জাতীয় গান 'বন্দে মাতরম'কে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ’র সমমর্যাদা দিতে আগেই রাজ্যসভা ও লোকসভায় পাশ হয়েছিল জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬। মঙ্গলবারই ওই সংক্রান্ত বিলে সম্মতি দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর ফলে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরমের’ অপমানকে শাস্তিযোগ্য করার আইন তৈরি হয়ে গেল।

Advertisement

গত ২৯ জুলাই রাজ্যসভায় পাশ হয় জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬। দু'দিন পর লোকসভাতেও পাশ হয়ে যায় বিলটি। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়া বিলটিতে অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বলা বাহুল্য, এর ফলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণ’র সমমর্যাদা পেল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’। উভয় গানের অপমান করলে পেতে হবে কঠিনতম শাস্তি। এমনকী হতে পারে ৩ বছরের কারাদণ্ডও।

এই বিলটির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইনে সংশোধনী আনল কেন্দ্র। মূল আইনে দেশের জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা বা অসম্মানকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় রাখা হয়েছে। এর জন্য তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, জাতীয় গানকে এত দিন এই আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এবার সেটাই করা হল। 

উল্লেখ্য, চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরম্‌-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল বন্দে মাতরমের কথা ও ভাবনা। কংগ্রেস জমানায় জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে বার বার সওয়াল করে এসেছে বিজেপি। এবার সেই কাজ তারা নিজেরাই করল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement