চোট-আঘাতে নাজেহাল টিম ইন্ডিয়া। দল যেন হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। বিসিসিআইয়ের (BCCI) সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে প্লেয়ারদের লাইন পড়ে গিয়েছে। কেন এত চোট? বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের ভূমিকা নিয়ে একেবারেই খুশি নয় বিসিসিআই। তাহলে কি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বোঝাপড়ার অভাব আছে? নাকি সার্বিক ব্যবস্থাপনাতেই গোলযোগ? ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে সব নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে বিসিসিআই।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মতে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে অন্তত বারোজন ভারতীয় ক্রিকেটার ওই কেন্দ্রে থাকবেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া, নীতীশকুমার রেড্ডি, বরুণ চক্রবর্তী, হর্ষিত রানা, আকাশ দীপের মতো ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে আছেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও আরও কয়েকজন। আগামী মাসে শ্রীলঙ্কা সফর। তার জন্য কয়েকজন ক্রিকেটারকে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে পারেন। মহম্মদ সিরাজ ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ওখানে দেখা যেতে পারে। ঘরোয়া ক্রিকেটে নামার আগে সরফরাজ খান, মুশির খান বা অভিষেক পোড়েলের মতো ক্রিকেটাররা পরীক্ষা দিয়ে এসেছেন।
সামনের বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে এত চোট কেন? সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের কার্যক্রমে একেবারেই খুশি নয় বিসিসিআই। বোর্ডের এক সূত্র বলেছেন, "এত হ্যামস্ট্রিং চোট থেকে একটা কথাই বোঝা যাচ্ছে, তাঁরা হয়তো সম্পূর্ণ ফিট হওয়ার আগে মাঠে নেমে যাচ্ছেন। প্লেয়ারদের ফিটনেস ও ওয়ার্কলোড নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে একটা বোঝাপড়ার অভাব থেকে যাচ্ছে।" ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ওই সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-র পর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা কার্যবিধি আর আপডেট করা হয়নি।
আরও অভিযোগ আছে। নীতীশ রেড্ডি আরও জোরে বল করতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। কিন্তু ওজন বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও টিম ম্যানেজমেন্ট জোর করে তাঁকে ফেরায়। হর্ষিতের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। ওয়াশিংটনকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তড়িঘড়ি নামানো হয়। ইংল্যান্ড টেস্টে চোট পাওয়া আকাশ দীপেরও নাকি ঠিকভাবে পরিচর্যা হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছে বিসিসিআই। সম্প্রতি, ভারতের টেস্ট-ওয়ানডে অধিনায়ক শুভমান গিলও অভিযোগ করেন, চোটের জন্য যদি প্রতি ম্যাচেই দল বদলাতে হলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেওয়া মুশকিল।
