shono
Advertisement
Palash Mushal

পলাশকে নিয়ে আর কোনও আপত্তিকর মন্তব্য নয়, স্মৃতির বন্ধুকে সাবধানবাণী বম্বে হাই কোর্টের

পলাশ মুছলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন স্মৃতির বন্ধু বিদন্যান মানে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন পলাশও। এবার কী বলল বম্বে হাই কোর্ট?
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 05:18 PM Feb 14, 2026Updated: 05:18 PM Feb 14, 2026

বম্বে হাই কোর্টের রায়ে বড়সড় স্বস্তি পেলেন পলাশ মুছল। 'কাপল গোলস' তালিকায় বেশ উপরের দিকে জায়গা করে নেওয়া 'পালরিতি' জুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে চর্চায় সঙ্গীতশিল্পী। এরপর একের পর এক অভিযোগ ওঠে গায়কের নামে। প্রথমে স্মৃতির সঙ্গে ব্যক্তিগত প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, বিয়ের আগের রাতে স্মৃতির বান্ধবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছিলেন পলাশ। ভাইরাল হয় একগুচ্ছ স্ক্রিনশট। এরপর স্মৃতির বন্ধু বিদন্যান মানে বিস্ফোরক দাবি করে পলাশের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তোলেন। স্মৃতির বন্ধুর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন পলাশও। সেই মামলায় এবার রায় দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। 

Advertisement

পলাশ মুছলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন স্মৃতির বন্ধু বিদন্যান মানে। তবে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন পলাশও। বিদন্যানের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপের কথা নিজেই জানিয়েছিলে। এবার সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বিদন্যানের বিরুদ্ধে করা পলাশের মামলায় নির্দেশ জারি করেছে বম্বে হাই কোর্ট। মুছলের আইনজীবী শ্রেয়াংশ আর মিথারে এই খবর জানিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, বিদন্যানকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। সেখানে সাফ বলে দেওয়া হয়েছে, পলাশের ভাবমূর্তিকে আঘাত করে এই ধরনের কোনও আপত্তিকর মন্তব্য বা খবর ছড়ানো যাবে না। ১১ মার্চ রয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ নভেম্বর গায়ক পলাশ মুছলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা ছিল ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানার। কিন্তু সেই বিয়ে আর হয়নি। এর জন্য যে পলাশের লাম্পট্য দায়ী, এমন অভিযোগও উঠেছে। সেই নিয়ে মুখ খুলেছেন স্মৃতির ছোটবেলার বন্ধু বিদন্যান মানে বলেছিলেন, “আমি বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। ওকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে বিছানায় হাতেনাতে ধরা হয়। সে এক ভয়ানক দৃশ্য! তারপর ভারতের মহিলা দলের ক্রিকেটাররা পলাশকে বেধড়ক মারে।”

এখানেই শেষ নয়। বিদন্যান সিনেমার প্রযোজক। অভিযোগ ছিল, তাঁর থেকে সিনেমা তৈরির নামে ২০২৪ সালে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন পলাশ মুছল। তাঁর সঙ্গে পলাশের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানা। কিন্তু সেখানেও প্রতারণা করেন পলাশ। তাঁর নামে অভিযোগ দায়ের করেন বিদন্যান। এই সংক্রান্ত সমস্ত মেসেজ ও কথোপকথন তাঁর কাছে ছিল বলেই দাবি ছিল তাঁর। তবে আপাতত বম্বে হাই কোর্টের রায়ে আপাতত স্বস্তির হাওয়া পলাশের মনে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement